চলমান বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র যদি কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করে, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালানো হবে—এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান।
রোববার ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এ কথা জানান। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেয়, তবে তেহরান ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে আঘাত করবে।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক ও গবেষণা সংস্থা কাউন্সিল অন ফরেইন রিলেশনসের তথ্যমতে, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ১৯টি সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনা রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি স্থায়ী ও কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি হিসেবে বিবেচিত।
ইরানে তীব্র অর্থনৈতিক সংকট থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নিয়েছে। তুরস্কভিত্তিক সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশজুড়ে চলমান বিক্ষোভে গত শনিবার অন্তত শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন।
এদিকে তেহরানের এক চিকিৎসক টাইম ম্যাগাজিনকে জানিয়েছেন, রাজধানীর ছয়টি হাসপাতালে অন্তত ২১৭ জন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন। নিহতদের অধিকাংশই সরাসরি গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন।
বিক্ষোভ চলাকালীন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিকবার ইরানে সম্ভাব্য হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন। একই সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগ না করার জন্য ইরান সরকারকে সতর্কও করেন। শনিবার তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আন্দোলনকারীদের সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে।
অন্যদিকে, ইরানের বিক্ষোভে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সম্ভাব্য হস্তক্ষেপের আশঙ্কায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে ইসরায়েল।







