মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার পর মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। অন্তত ১৬টি জাহাজ ড্রোন বা অন্যান্য অস্ত্রের আক্রমণের শিকার হয়েছে। কিন্তু ইরান তেল রপ্তানি অব্যাহত রেখেছে প্রায় যুদ্ধপূর্ব পর্যায়ে।
সিএনএন জানিয়েছে, ট্যাঙ্কার ট্র্যাকিং ডেটা ও স্যাটেলাইট চিত্র অনুসারে, যুদ্ধ শুরুর দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকেই ইরান ১২ থেকে ১৩ দশমিক ৭ মিলিয়ন ব্যারেল তেল রপ্তানি করেছে, যা দৈনিক প্রায় ১ মিলিয়ন ব্যারেলের সমান। গত বছরের গড় রপ্তানি ছিল ১ দশমিক ৬৯ মিলিয়ন ব্যারেল প্রতিদিন।
ইরানের খার্গ দ্বীপের তেল অবকাঠামো অক্ষত রয়েছে, যেখান থেকে ইরানের অধিকাংশ তেল রপ্তানি হয়। যুক্তরাষ্ট্র ইরানি ট্যাঙ্কার আটকানোর চেষ্টা করেনি, যদিও ইরানের নৌবাহিনীর বড় অংশ ধ্বংস করেছে। ট্রাম্প প্রশাসন খার্গ দ্বীপের তেল সুবিধা আক্রমণের হুমকি দিয়েছে, কিন্তু এখনও তা করেনি।
ইরান প্রণালীকে বাণিজ্যিক চাপের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে, বিশেষ করে চীন ও ভারতের মতো এশীয় ক্রেতাদের জন্য। ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, হরমুজ প্রণালী শত্রু জাহাজের জন্য বন্ধ, অন্যদের জন্য খোলা।








