বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামে প্রতিষ্ঠিত রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে আন্তর্জাতিক সেমিনার। বাংলা বিভাগের এই প্রথম আন্তর্জাতিক সেমিনারের আয়োজনকে স্বাগত জানিয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ডঃ মোঃ শাহ্ আজম।
আজ (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের টেগোর লেকচার থিয়েটারে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল ‘রবীন্দ্রনাথের শিক্ষাদর্শন: শান্তিনিকেতন ও শ্রীনিকেতন’। সেমিনার বক্তা হিসেবে গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রখ্যাত লেখক ও গবেষক বিশ্বেন্দু নন্দ এবং অত্রি ভট্টাচার্য।
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে রবি উপাচার্য শাহ্ আজম বলেন, যেহেতু বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়টি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তাই রবীন্দ্রনাথের শিক্ষাদর্শনকে ধারণ করে আমরা এই বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানের একটি গবেষণাধর্মী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর।
তিনি আরও বলেন, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত এই সেমিনার আমাদের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে আমার বিশ্বাস।
উপাচার্য বলেন, কবিগুরু শুধু কবি ছিলেন না, তিনি ছিলেন শিক্ষক, শিক্ষা পরিকল্পক সর্বোপরি শিক্ষা গবেষক। তিনি শিক্ষাকে প্রায়োগিক করার চেষ্টা করেছিলেন শান্তিনিকেতন প্রতিষ্ঠা করেন।
প্রবন্ধকার বিশ্বেন্দু নন্দ বলেন, প্রচলিত শিক্ষাধারার প্রতি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আস্থা কম ছিলো বলেই তিনি নিজের উদ্ভাবনী শক্তি কাজে লাগিয়ে ভিন্নধারার শিক্ষাপদ্ধতি প্রবর্তন করেছিলেন শান্তিনিকেতনে।
আলোচক অত্রি ভট্টাচার্য বলেন, শুধু শিক্ষাদানেই শেষ নয়, তাকে প্রয়োগ করার জন্য রবীন্দ্রনাথ শান্তিনিকেতন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। যেখানে ক্ষুদ্র-কুটিরশিল্প থেকে সমবায় বিপণন ব্যবস্থার প্রচলন ঘটিয়ে ছিলেন বিশ্বকবি।
আন্তর্জাতিক সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান ডঃ মোঃ ফখরুল ইসলাম। প্রধান অতিথি ও সেমিনার বক্তাদের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে তিনি বলেন, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ ক্লাসভিত্তিক পাঠক্রমের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সেমিনার আয়োজনের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখবে।








