সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে ৫ ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল ভারত। চতুর্থ ম্যাচ ভেস্তে যায় কোন বল না গড়িয়ে। পঞ্চম ও শেষ ম্যাচে তাণ্ডব চালিয়েছেন হার্দিক পান্ডিয়া। নাম লিখিয়েছেন একাধিক কীর্তিতে। তার আলো ছড়ানো ম্যাচে প্রোটিয়াদের ৩০ রানে হারিয়েছে সূর্যকুমার যাদবের দল। তাতে ৩-১ ব্যবধানে সিরিজও নিশ্চিত করেছে ভারত।
প্রোটিয়াদের বিপক্ষে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন হার্দিক পান্ডিয়া। ৪ চার ও ৫ ছক্কায় ১৬ বলে ফিফটি করেন। ভারতের হয়ে দ্বিতীয় দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড এটি। সবচেয়ে দ্রুত ফিফটির রেকর্ডটি যুবরাজ সিংয়ের। ২০০৭ রানে ডারবানের ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এই কীর্তি গড়েন তিনি।
২৫ বলে ৬৩ রানের ইনিংস খেলে আরও দুটি কীর্তিতে নাম লেখান হার্দিক। পঞ্চম ভারতীয় ব্যাটার হিসেবে টি-টুয়েন্টিতে ২০০০ রানের মাইলফলকে পৌঁছান। পাশাপাশি বিশ্বের পঞ্চম ক্রিকেটার হিসেবে টি-টুয়েন্টিতে ১০০ উইকেট ও ২০০০ রান করে নাম লেখালেন মোহাম্মদ নবি ও সাকিব আল হাসানদের সাথে।
আহমেদাবাদে টসে হেরে আগে ব্যাটে নামে ভারত। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৫ উইকেটে ২৩১ রানের সংগ্রহ গড়ে দলটি। জবাবে নেমে ৮ উইকেটে ২০১ রানে থামে প্রোটিয়ারা।
ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৩ রান করেন তিলক বার্মা। ১০ চার ও ১ ছক্কায় ৪২ বলে ৭৩ রান করেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬৩ রান করেন হার্দিক। ২৫ বলে ঝড়ো ইনিংসটিতে ছিল ৫টি করে চার ও ছক্কার মার। এছাড়া সাঞ্জু স্যামসন ২২ বলে ৩৭ এবং ২১ বলে ৩৪ রান করেন অভিষেক শর্মা।
প্রোটিয়া বোলারদের মধ্যে কোরবিন বোশ ২ উিইকেট নেন। অটেনিল বার্টম্যান ও জর্জ লিন্ডে নেন একটি করে উইকেট।
জবাবে নেমে প্রোটিয়া ওপেনার কুইন্টন ডি কক সর্বোচ্চ ৬৫ রান করেন। ৩৫ বলের ইনিংসে ছিল ৯ চার ও ৩ ছক্কার মার। ১৭ বলে ৩১ রান করেন ডেওয়াল্ড ব্রেভিস। ১৮ রান করেন ডেভিড মিলার, ১৭ রান আসে কোরবিন বোশের ব্যাট থেকে। বাকিদের কেউ এর চেয়ে বেশি রান করতে পারেননি।
ভারত বোলারদের মধ্যে বরুণ চক্রবর্তী ৪ উইকেট নেন। জাসপ্রিত বুমরাহ ২ উইকেট নেন। হার্দিক ও আর্শদীপ সিং নেন একটি করে উইকেট।








