এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
মাঠের বাইরে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে যতটা উত্তেজনা ছড়িয়েছিল, সেটার রেশ ছিল না খেলায়। যথারীতি ভারতের একপেশে দাপটের সামনে অসহায় আত্মসমর্পণ করেছে পাকিস্তান। সূর্যকুমার যাদবদের দেয়া ১৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় সালমান আঘার দল টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের তৃতীয় সর্বনিম্ন ১১৪ রানে গুটিয়ে যায়। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের সঙ্গে এমন হারের পর অধিনায়ক সালমান স্বীকার করেছেন, পরিকল্পনার যথাযথ বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হওয়া পরাজয়ের মূল কারণ।
কলম্বোর রানাসিংহে প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে টসে জিতে ভারতকে ব্যাটের আমন্ত্রণ জানান পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৭৫ রানের সংগ্রহ গড়ে ভারত। জবাবে ১৮ ওভারে ১১৪ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। ৬১ রানে জেতে সূর্যকুমারের দল।
টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে অবশ্য বরাবরই পাকিস্তানের বিপক্ষে একচেটিয়া দাপট ভারতের। এ পর্যন্ত ৯ বারের দেখায় ভারত জিতল ৮টিতে, পাকিস্তানের জয় একটিতে।
ম্যাচ শেষে সালমান বলেছেন, ‘এই ধরনের ম্যাচে আবেগ সবসময়ই অনেক উঁচুতে থাকে। এর সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয়। এরকম অনেক ম্যাচ খেলেছি। দুদিনের মধ্যে একটি ম্যাচ আছে, সেটার দিকে তাকাতে হবে। সেই ম্যাচে জিততে হবে এবং সুপার এইটে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। তারপর আবার নতুন একটা টুর্নামেন্ট।’
‘আমাদের স্পিনারদের জন্য দিনটা তেমন ভালো ছিল না। কিছু জায়গায় প্রয়োগের ঘাটতি ছিল। স্পিনারদের উপর আস্থা আছে আমাদের, তারা গত ছয় মাসে ভালো করেছে।’
ব্যাটিংয়ে চরম ব্যর্থ হয় পাকিস্তান। ১৮ ওভারে ১১৪ রানে অলআউট হয়ে যায়। অধিনায়ক বলেছেন, ‘ব্যাট হাতে আমরা ভালো শুরু করতে পারিনি। পাওয়ার প্লেতে যদি ৩-৪ উইকেট হারান, ম্যাচে সবসময়ই পিছিয়ে পড়তে হয়। প্রথম ইনিংসে উইকেট কিছুটা ধীর ছিল এবং বল গ্রিপ করছিল। দ্বিতীয় ইনিংসে পিচ তুলনামূলক ভালো ছিল, আমরা পরিস্থিতি অনুযায়ী বোলিং করতে পারিনি এবং ব্যাটিংয়েও সামর্থ্য প্রয়োগ করতে ব্যর্থ হয়েছি।’
তিন ম্যাচ শেষে সর্বোচ্চ ৬ পয়েন্ট নিয়ে নিজেদের গ্রুপে শীর্ষে ভারত। সমান ম্যাচে ৪ পয়েন্টে তিনে পাকিস্তান। এক ম্যাচ বেশি খেলা যুক্তরাষ্ট্র দুটি করে জয় ও হারে নেট রান রেটে পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে পয়েন্ট টেবিলে দুইয়ে রয়েছে।








