প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণ শ্রীনিবাসন।
মঙ্গলবার ঢাকার বাংলাদেশ সচিবালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থ উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং অর্থ সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার।
সাক্ষাতে আইএমএফের স্থগিত থাকা ঋণ কর্মসূচির দুটি কিস্তি ছাড়ের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা মনে করছেন, শর্ত পূরণে অগ্রগতি হলে বাংলাদেশ শিগগিরই প্রায় ১ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলার পেতে পারে।
ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে জ্বালানি আমদানির চাপ সামাল দিতে বাংলাদেশ আইএমএফ, বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন সংস্থার কাছে অতিরিক্ত ২ বিলিয়ন ডলার ঋণ সহায়তা চেয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর সম্প্রতি এ তথ্য জানিয়েছেন।
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) জানিয়েছে, আইএমএফের সঙ্গে বৈঠকে চলমান সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হবে। তবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, এনবিআর পুনর্গঠন, বাংলাদেশ ব্যাংক-এর স্বায়ত্তশাসন জোরদার এবং বাজারভিত্তিক বিনিময় হার চালুর মতো গুরুত্বপূর্ণ শর্ত এখনও পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি।
করোনা মহামারি এবং ইউক্রেন যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতিতে ২০২৩ সালের ৩০ জানুয়ারি আইএমএফের সঙ্গে ৪ দশমিক ৭০ বিলিয়ন ডলারের ঋণ চুক্তি করে বাংলাদেশ। পরে মেয়াদ বাড়িয়ে মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় ৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত ৩ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলার ছাড় হয়েছে; বাকি রয়েছে প্রায় ১ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ডলার।
গত ডিসেম্বরে একটি কিস্তি ছাড় হওয়ার কথা থাকলেও নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে আলোচনার পর তা অনুমোদনের সিদ্ধান্ত নেয় আইএমএফ।








