রাজনৈতিক ময়দানে তর্কবিতর্ক থাকলেও পারস্পরিক আলোচনা বজায় থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।
সোমবার ১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় এনসিপির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে এ কথা বলেন তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রেসিডেন্ট জিয়ার রহমান বাংলাদেশিদের যে জাতীয়তাবাদী ঐতিহাসিক ধারণা, সেই ধারণায় সবাইকে ঐকবদ্ধ করেছিলেন, বহুদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করেছিলেন আমরা সেই জাতীয়বাদকে ধারণ করি। যেখানে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়। এরপরে বাংলাদেশের এই গণতান্ত্রিক যাত্রায় হোচট খেয়েছে।
তিনি বলেন, ১৯৯১ সালে বেগম খালেদা জিয়া সংশোধীয় গণতান্ত্রিক যাত্রায় উত্তরণ ঘটান। ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রবর্তন করেন। বাংলাদেশের সংবিধানে, রাজনীতিতে, গণতন্ত্রে এভাবে যত সংস্কার হয়েছে তা বিএনপির হাত ধরে হয়েছে বলে আমরা মনে করি। সুতরাং আজকের যে গণতান্ত্রিক যাত্রা, জুলাই পরবর্তী যাত্রায় যারা শহীদ হয়েছেন তাদের প্রত্যাশা অনেক। তার মধ্যে একটি হলো- আমরা যেন গণতান্ত্রিক চর্চা করি, লালন করি, সেটারই দৃশ্যমান প্রক্রিয়া আজকের এই আলোচনা।
তিনি আরও বলেন, আমাদের তরুণ বন্ধুগণ যারা জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সৃষ্টি করেছে, তারা আজ প্রমাণ করলেন , মাঠে আমরা যে যেমন তর্কবিতর্ক করি না কেন, এ রাজনৈতিক সংস্কৃতি আমাদের মধ্যে চালু থাকতে হবে। আমরা পরস্পর তর্ক করব, বিতর্ক করব, ভিন্নমত পোষণ করব কিন্তু সৌহার্দ্যমূলক আলাপ আলোচনার মাধ্যমে পারস্পরিক শ্রদ্ধা বজায় থাকবে। এটাই রাজনৈতিক সংস্কৃতি। এ বিশাল পরিবর্তন আমাদের অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে। এ গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি চালুর মধ্য দিয়ে বিগত দিনের অগণতান্ত্রিক অপসংস্কৃতি থেকে বিরত থাকতে পারব।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, আমরা রাজনৈতিক ফ্যাসিবাদ বিরোধী ঐক্য যেন আমরা ধরে রাখতে পারি। আমরা এমন এক গণতান্ত্রিক যাত্রার উত্তরণ ঘটাব। সে সময় অন্য কেউ আর গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটাতে পারবে না। আমরা সাংবিধানিকভাবে যেসব প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করতে চাই সেটা এই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্যে হবে।








