এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
ভারতে আসন্ন টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে যাবে না বাংলাদেশ, আইসিসিকে সিদ্ধান্ত গত ৪ জানুয়ারি জানিয়ে দিয়েছে বিসিবি। পরে দুবার দুপক্ষের বৈঠক হলেও সমাধান আসেনি। বুধবার বোর্ড সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। জানিয়েছে, সূচিতে কোন পরিবর্তন আনবে না তারা, বাংলাদেশকে ভারতেই খেলতে হবে বিশ্বকাপ।
বুধবার সদস্য দেশগুলোকে নিয়ে সভা শেষে আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বিষয়টি জানিয়েছে আইসিসি। বলেছে, ২০২৬ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী হবে এবং বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারতেই হবে। বোর্ডের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
বাংলাদেশের ম্যাচগুলোর ভেন্যু সরিয়ে নিতে বিসিবির অনুরোধ আইসিসি বোর্ড সদস্যদের ভোটে বাতিল হয়ে যায়। বাংলাদেশ না গেলে বিকল্প কোন দেশকে খেলানোর পক্ষে ভোট পড়েছে বেশি। বিসিবির বাইরে কেবল আর একটি ভোট বাংলাদেশের পক্ষে পড়েছে বলে জানা গেছে।
আইসিসি বলেছে, ‘স্বাধীন পর্যালোচনাসহ সকল নিরাপত্তা মূল্যায়ন বিবেচনা করার পর এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে যে, ভারতের কোন টুর্নামেন্ট ভেন্যুতে বাংলাদেশের খেলোয়াড়, মিডিয়াকর্মী, কর্মকর্তা এবং ভক্তদের জন্য কোন হুমকি নেই।’
আইসিসির একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘গত কয়েকসপ্তাহ ধরে, আইসিসি বিসিবির সাথে টেকসই এবং গঠনমূলক সংলাপ করছে, যার স্পষ্ট লক্ষ্য হল টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। এই সময়ে আইসিসি স্বাধীন নিরাপত্তা মূল্যায়ন, ভেন্যু-স্তরের নিরাপত্তা পরিকল্পনা এবং আয়োজক কর্তৃপক্ষের থেকে আনুষ্ঠানিক আশ্বাসসহ বিস্তারিত তথ্য জানিয়েছে। যার সবকটি ধারাবাহিকভাবে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে, ভারতে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা বা সুরক্ষার জন্য কোন বিশ্বাসযোগ্য বা যাচাইযোগ্য হুমকি নেই।’
‘এই প্রচেষ্টা সত্ত্বেও, বিসিবি তার অবস্থান বজায় রেখেছে। বারবার টুর্নামেন্টে তার অংশগ্রহণকে একটি একক, বিচ্ছিন্ন এবং সম্পর্কহীন ঘটনার সাথে যুক্ত করেছে যার মধ্যে একটি ঘরোয়া লিগে তার খেলোয়াড়দের জড়িত থাকার বিষয়টি রয়েছে। এই বিষয়টি টুর্নামেন্টের নিরাপত্তা কাঠামো বা আইসিসি ছেলেদের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়ন্ত্রণকারী শর্তগুলোর সাথে কোন সম্পর্ক রাখে না।’
‘আইসিসির ভেন্যু এবং সময়সূচির সিদ্ধান্তগুলো বস্তুনিষ্ঠ হুমকি মূল্যায়ন, আয়োজকদের প্রতিশ্রুতি এবং টুর্নামেন্টের অংশগ্রহণের সম্মত শর্তাবলী দ্বারা পরিচালিত হয়, যা ২০টি অংশগ্রহণকারী দেশের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তার হুমকি নিয়ে কোন স্বাধীন নিরাপত্তার ফলাফলের অভাবে, আইসিসি সূচি পরিবর্তন করতে অক্ষম। এটি বিশ্বব্যাপী অন্যান্য দল এবং ভক্তদের জন্য উল্লেখযোগ্য লজিস্টিক এবং সময়সূচির পরিণতি বয়ে আনবে এবং সুদূরপ্রসারী নজির- সম্পর্কিত চ্যালেঞ্জও তৈরি করবে যা আইসিসির শাসনব্যবস্থার নিরপেক্ষতা, ন্যায্যতা এবং অখণ্ডতাকে ক্ষুণ্ন করার ঝুঁকি তৈরি করবে।’
‘আইসিসি সৎ বিশ্বাসে কাজ করতে, ধারাবাহিক মান বজায় রাখতে এবং বিশ্বব্যাপী খেলার সামগ্রিক স্বার্থ রক্ষা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’








