সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংগীতশিল্পী কিংবা শোবিজ তারকাদের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা নতুন নয়। এবার এমনই এক ভুয়া খবরে বিব্রত হতে হয়েছে দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী হায়দার হোসেন-কে।
হঠাৎ করেই ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপ ও পেজে ছড়িয়ে পড়ে—‘সংগীতশিল্পী হায়দার হোসেন মারা গেছেন’। শুধু সাধারণ পোস্টই নয়, কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের নাম ব্যবহার করে তৈরি করা ভুয়া ফটোকার্ডও সামাজিক মাধ্যমে ঘুরতে দেখা যায়। এতে ভক্ত-শ্রোতাদের মধ্যে দ্রুত উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে।
তবে বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে জানিয়েছেন জনপ্রিয় গীতিকার ও সংগীত পরিচালক মিল্টন খন্দকার।
শনিবার রাতে চ্যানেল আই অনলাইনকে তিনি বলেন, এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন একটি গুজব। ফেসবুকে কে বা কারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এমন খবর ছড়িয়েছে তা জানা যায়নি।
তিনি জানান, সন্ধ্যায় হায়দার হোসেনের কিবোর্ডবাদকের সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হয়েছেন—শিল্পী সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন এবং বাসাতেই অবস্থান করছেন।
এই ভুয়া খবরে তাঁর ভক্ত-শ্রোতাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। অনেকেই ফোন ও বার্তার মাধ্যমে তাঁর খোঁজ নেওয়ার চেষ্টা করেন। পরে শনিবার দুপুরে নিজের ফেসবুক পেজে পোস্ট দিয়ে বিষয়টি পরিষ্কার করেন হায়দার হোসেন।
ফেসবুকে তিনি লিখেন, সর্বশক্তিমান আল্লাহর অশেষ কৃপায় আমি বেঁচে আছি এবং ভালো আছি। আমাকে দোয়ায় রাখার জন্য আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ।
গুজবটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় বিষয়টি নিয়ে পরে গণমাধ্যমের সঙ্গেও কথা বলেন হায়দার হোসেন নিজে। তিনি বলেন, ‘সন্ধ্যা থেকে ফোন রাখতে পারছি না। একের পর এক ফোন আসছে। কী যে ঝামেলায় পড়েছি! আমি সুস্থ আছি, ভালো আছি।’
বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ এক নাম হায়দার হোসেন। শুধু কণ্ঠশিল্পী হিসেবে নয়; গীতিকার ও সুরকার হিসেবে আলাদা পরিচিতি এনে দেয় তাকে। তার ৩০ বছর পরেও আমি স্বাধীনতাটাকে খুঁজছি এবং আমি ফাইসা গেছি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য গান।







