রমজান মাস-পবিত্র চাঁদের আলোয় ঘেরা সময়, যখন মিলেমিশে আসে ইবাদত আর ইফতারের আনন্দ। এই মাসে খাদ্য শুধু ক্ষুধা মেটানোর মাধ্যম নয় এটি পুষ্টি, শক্তি ও সুস্থতার প্রতীক। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফলমূল এবং কাঁচা সবজি ইফতারের প্লেটে রাখলে পেট থাকে ঠান্ডা, শরীর থাকে সতেজ। আর সেই সবজির মধ্যে গাজর ছোট্ট হলেও পুষ্টির ভাণ্ডার । তবে কাঁচা নাকি সেদ্ধ খেতে হয় তা নিয়ে হয় বিতর্ক।
গাজরে থাকে বিটা ক্যারোটিন। গাজর খেলে আমাদের দেহে এই বিটা ক্যারোটিন থেকে তৈরি হয় ভিটামিন এ। গাজর যদি সেদ্ধ করে বা ভাপিয়ে নেওয়া হয়, তা থেকে ভিটামিন এ পাওয়া সহজ হয়। কাঁচা খাওয়া হলেও যে ভিটামিন এ-র পরিমাণ খুব কম হয় তা কিন্তু নয়। অন্যদিকে সেদ্ধ করলে ভিটামিন সি নষ্ট হয়ে যায়। তাই গাজর কাঁচা খেলেই আপনি এর ভিটামিন সি পুরোপুরি পাবেন।
গাজর সেদ্ধ বা ভাপানো হলে এর গ্লাাইসেমিক ইনডেক্স বেড়ে যায়। গ্লাাইসেমিক ইনডেক্স হল যেসব খাবারে শর্করা আছে সেগুলোর শর্করা রক্তে কত দ্রুত শোষণ হবে তার মাত্রা বোঝা যায় গ্লাাইসেমিক ইনডেক্স থেকে।
গাজর কাঁচা খেলে এতে থাকা আঁশ পুরোপুরি কাজে আসে, যা কোষ্ঠকাঠিন্য এড়াতে সাহায্য করে। রমজান মাসে ভুল খাদ্যাভ্যাসের কারণে অনেকেই কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগেন। তাই এই সময় কাঁচা গাজর খাওয়া বিশেষভাবে উপকারী। পর্যাপ্ত আঁশ গ্রহণ ওজন নিয়ন্ত্রণেও সহায়ক এবং রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। যাদের কিডনি,ডায়াবেটিসের সমস্যা আছে তারা ডাক্তারের পরামর্শে খাবেন।







