ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের নেতারা ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সংঘাত কয়েক সপ্তাহ ধরে চলতে পারে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলছেন, এটি কোনো সমস্যা হবে না এবং তাদের সামরিক বাহিনী দীর্ঘ সময় যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষমতা রাখে।
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
তবে ইসরায়েলের জন্য পরিস্থিতি আলাদা। গাজায় গণহত্যা, লেবানন, সিরিয়া ও পূর্ববর্তী ইরান-সংঘাতের খরচে ইতিমধ্যেই দেশটি ক্লান্ত। দীর্ঘ যুদ্ধ আরও ব্যয়বহুল হতে পারে।
গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে ইরানকে আঘাত করার পর থেকে ইসরায়েল বারবার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখে পড়েছে।
হাইফা ও তেল আবিবের মতো বড় শহরে টেকসই হামলা চলছে। স্কুল বন্ধ, এয়ার রেইড সতর্কতা, এবং হাজার হাজার রিজার্ভিস্ট মোতায়েন করা হয়েছে। সাধারণ মানুষ কয়েকদিন ধরে বোমাশেল্টারে আশ্রয় নিচ্ছে।
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ শীর হেভার বলেন, যুদ্ধ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইসরায়েল মিলিটারিজমের ঢেউয়ে ভেসে গেছে।
সামরিক বিশ্লেষক হাম্জে আততার বলেন, যুদ্ধের প্রথম তিন দিনে ইরান ইসরায়েলের দিকে ২০০-এর বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে।
ইসরায়েলের তিনটি এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম রয়েছে: আয়রন ডোম, ডেভিড’স স্লিং, এবং অ্যারো ২ ও ৩।
লেবানন ও গাজার যুদ্ধের জন্য ২০২৪ সালে খরচ হয়েছে ৩১ বিলিয়ন ডলার। ২০২৫ সালে খসড়া অনুযায়ী খরচ পৌঁছেছে ৫৫ বিলিয়ন ডলার। এর ফলে ঋণ, জ্বালানি, পরিবহন ও স্বাস্থ্যসেবা সংকট তৈরি হয়েছে।
হেভারের মতে, অর্থনৈতিক চাপ একাই যুদ্ধ থামাতে পারবে না। প্রযুক্তি ও উন্নত অস্ত্র সরবরাহের কারণে ইসরায়েল যেকোনো সংকট মোকাবেলা করতে সক্ষম।







