সবেশেষ ২০১৫ সালে দ্বিপাক্ষিক ওয়ানডে সিরিজে মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। ঘরের মাটিতে সেবার পাকিস্তানকে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল টিম টাইগার্স। প্রায় ১১ বছর পর ফের মুখোমুখি হচ্ছে দুদল। সিরিজে নামার আগে মেহেদী হাসান মিরাজদের যথেষ্ট সম্মান করার কথা জানালেও আসন্ন সিরিজে স্বাগতিকদের হোয়াইটওয়াশ করতে চান পাকিস্তান কোচ মাইক হেসন।
বুধবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তিন ম্যাচের সিরিজে প্রথম ওয়ানডেতে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। খেলা সরাসরি দেখাবে আইস্ক্রিন এবং ধারাভাষ্য শোনা যাবে রেডিও ভূমিতে। সোমবার মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে আসেন পাকিস্তান কোচ।
হেসন বলেন, ‘অবশ্যই আমরা পারি (বাংলাদেশকে ৩-০ ব্যবধানে হারাতে)। কিন্তু আমরা বাংলাদেশের কন্ডিশনে তাদের বিশেষ সম্মান করি। আবারও বলছি, এখানকার কন্ডিশন টি-টুয়েন্টি সিরিজের তুলনায় অনেক ভিন্ন হবে। আমার মনে হয় দুই দলই ব্যাটিংয়ের মতো বোলিংয়েও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। বাংলাদেশ সাম্প্রতিক সময়ে অনেক বেশি ৫০ ওভারের ক্রিকেট খেলছে, তাই আমাদের এই দীর্ঘ ফরম্যাটের সাথে খুব দ্রুত মানিয়ে নিতে হবে।’
অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা ৬ ক্রিকেটারকে নিয়ে বাংলাদেশ সফরে আসছে পাকিস্তান। তরুণ ক্রিকেটারদের নিয়ে বেশ আত্মবিশ্বাসী সফরকারীরা। হেসন বলেন, ‘এটি রোমাঞ্চকর একটি দল। আমাদের এখানে কিছু নতুন মুখ আছে যারা শাহীনস-এ ভালো করেছে এবং পরবর্তী স্তরে সুযোগ পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে। একটি দল হিসেবে তাদের অন্তর্ভুক্ত করতে পেরে আমরা আনন্দিত।’
মিরপুরের উইকেটকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন হেসন। তিনি বলেন, ‘অবশ্যই আগের চেয়ে অনেক ভালো পিচ এবং ঘাসও ভালো দেখাচ্ছে। দুর্ভাগ্যবশত এখানকার পিচ বেশ কিছুদিন ধরে খুব একটা ভালো ছিল না। তবে আমরা বিপিএলেও দেখেছি যে এখানকার পিচগুলো অনেক ভালো ছিল।’
‘মনে হচ্ছে অনেক বেশি ঘাস আছে এবং ব্যাট ও বলের মধ্যে সত্যিকারের লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা আছে। আর আমার মনে হয় দুই দলই এতে উপকৃত হবে। দুই দলই ভালো ক্রিকেট উইকেটে খেলতে চায় এবং চ্যালেঞ্জ নিতে চায়। এই মুহূর্তে তেমনটাই মনে হচ্ছে।’
‘আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ হলো এখানকার পিচের সাথে দ্রুত মানিয়ে নেয়া। আমাদের সামনে যাই আসুক না কেন, আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে, বাংলাদেশের নিজেদের কন্ডিশনে তাদের চ্যালেঞ্জ করার মতো একটি দল আমাদের আছে।’- যোগ করেন পাকিস্তান কোচ।







