দিনভর ভোটগ্রহণ শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (ডাকসু) নির্বাচন বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খানের সঙ্গে সাক্ষাত করেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
মঙ্গলবার সিনেট ভবনে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতারা সিনেট ভবনে তাদের অভিযোগ ভিসির কাছে তুলে ধরেন। এ সময় ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের ভিসির সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় করতে দেখা যায়।
ভিসির কাছে ছাত্রদল নির্বাচনে কারচুপি, প্রশাসন জামায়াত-শিবিরের পক্ষে কাজ করাসহ নির্বাচনকেন্দ্রিক বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন। একপর্যায়ে ছাত্রদলের ঢাবি শাখার সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহসসহ কয়েকজন নেতা-কর্মীকে বেশ উত্তেজিত ভঙ্গিতে দেখা যায়।
পরে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন তাদের নিবৃত্ত করেন।
এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন ঢাবির বিএনপিপন্থী শিক্ষক ও পদার্থবিজ্ঞান সাবেক অধ্যাপক ড. আ ফ ম ইউসুফ হায়দার, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান, কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান খান, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খানসহ বিএনপিপন্থি শিক্ষকরা।
এরআগে বিকেল সাড়ে ৫টার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ছাত্রদলের প্যানেলের ভিপি (সহ-সভাপতি) প্রার্থী আবিদুল ইসলাম বলেন, আমরা একটি সুন্দর নির্বাচনের আশা করেছিলাম। কিন্তু সেই কাঙ্ক্ষিত নির্বাচন পাইনি।
আবিদুল ইসলাম বলেন, আমরা পোলিং এজেন্স দিতে পারিনি। অথচ জামায়াত-শিবির ক্যাম্পাসে তাদের নেতাদের দিয়ে পূর্ণ করে রেখেছে। নেগেটিভিটি ঘটেছে। দুপুরের পর থেকে আমরা কারচুপির অভিযোগ পেয়েছি। আমি নিজেও অমর একুশে হলের যে কেন্দ্র আছে, সেখানে গিয়েছি। প্রমাণ পেয়েছি। তাদের সঙ্গে খুব শান্তভাবে কথা বলেছি। তারাও বলেছে, হ্যাঁ, একটা ঘটনা ঘটে গেছে। রোকেয়া হলেও একই অবস্থা। তারা বলছে, ঘটনা ঘটে গেছে।








