কানাডার টরন্টোতে যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে।
কানাডার স্থানীয় সময় (২৬ মার্চ) বুধবার স্বাধীনতা দিবসের শুরুতেই জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় এবং কনস্যুলেট প্রাঙ্গনে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এরপর মহান এই দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়।
কনসাল জেনারেল মো. ফারুক হোসেন তার বক্তব্যের শুরুতে বাংলাদেশের স্হপতি, স্বাধীনতার মহানায়ক, জাতির পিতার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে উপস্থিত সকলকে মহান স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দীর্ঘ ৯ মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা পেয়েছি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। যে কোন ত্যাগের বিনিময়ে বাঙ্গালিদের অধিকার ও আত্মমর্যাদা রক্ষার প্রশ্নে বঙ্গবন্ধু ছিলেন অটল।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু সবসময় একটি সুখী উন্নত সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন দেখতেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। বাংলাদেশের উন্নয়নের এই গতিধারা অব্যাহত রেখে অতি দ্রুত বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ তথা ২০৪১ সালের মধ্যে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার লক্ষ্যে সকলকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান।
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে আগামী ১৮ এপ্রিল ২০২৪ তারিখে টরোন্টোর মাউন্ট বাটেন স্যালুন , চেলশিয়া হোটেলে বিদেশি কূটনীতিক, অন্টারিও সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, টরন্টোতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি ও নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক এবং ছাত্রছাত্রীদের অংশগ্রহনে এক বর্ণাঢ্য সংবর্ধনার আয়োজন করা হবে।
অনুষ্ঠানের শেষে মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে এবং দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।








