টানা চার দিন বৃদ্ধির পর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছে। ফলে ২২ ক্যারেটের ভালো মানের স্বর্ণের দাম ভরিপ্রতি কমে দাড়িয়েছে ২ লাখ ৬৮ হাজার ২১৪ টাকা। আজ ভরিতে দাম কমেছে ৯ হাজার ২১৪ টাকা। একই সঙ্গে কমেছে রুপার দামও।
আজ বুধবার (৪ মার্চ) সকালে এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
চলতি সপ্তাহের শনিবার দুই দফায় স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। দ্বিতীয় দফার নতুন দাম কার্যকর হয় রোববার থেকে। এরপর সোম ও মঙ্গলবারও বাড়ানো হয় স্বর্ণের দাম। টানা চার দিন বৃদ্ধির পর আজ আবার কমল স্বর্ণের দাম। এর আগে গত সপ্তাহে দুই দফায় স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছিল ৫ হাজার ৪৮২ টাকা। চলতি সপ্তাহে টানা চার দিনে স্বর্ণের দাম বেড়েছিল ভরিপ্রতি ১২ হাজার ১৩ টাকা। এরপর আজ ৯ হাজার ২১৪ টাকা কমায়, সামগ্রিকভাবে এই সপ্তাহে স্বর্ণের দাম বেড়েছে ২ হাজার ৭৯৯ টাকা।
বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম বৃদ্ধির কারণে নতুন করে মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। তবে বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মূলত বিশ্ববাজারে দামের ওঠানামার প্রভাবেই দেশে স্বর্ণের দাম বাড়ানো-কমানো হচ্ছে। নতুন দরে ভরিপ্রতি ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাড়িয়েছে ২ লাখ ৫৬ হাজার ২৫ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৯ হাজার ৪৫৮ টাকা। সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ভরিপ্রতি ১ লাখ ৭৯ হাজার ১৫৯ টাকা। এদিকে ভালো মানের রুপার দাম ভরিপ্রতি ৬৪১ টাকা কমে হয়েছে ৬ হাজার ৫৩২ টাকা, যা গতকাল ছিল ৭ হাজার ১৭৩ টাকা।
বাজুস জানিয়েছে, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হবে। গত জানুয়ারি মাসের শেষ দিক থেকেই দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে। ২৯ জানুয়ারি ভরিপ্রতি সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বেড়ে ভালো মানের এক ভরি স্বর্ণের দাম দাড়িয়েছিল ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকা—যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
বিশ্ববাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়। যুক্তরাষ্ট্র সময় অনুযায়ী, গতকাল মঙ্গলবার থেকে আজ বুধবার লেনদেনের শুরু পর্যন্ত স্বর্ণের দাম আউন্সপ্রতি ৯৫ ডলার কমে বর্তমানে প্রায় ৫ হাজার ১৫৮ ডলারে দাড়িয়েছে। গত ৩০ দিনে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বেড়েছে প্রায় ২০৪ ডলার এবং গত ছয় মাসে বেড়েছে ১ হাজার ৫২৫ ডলার।







