পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রানা সানাউল্লাহ বলেছেন, সাধারণ স্বার্থ কাউন্সিল (সিসিআই) নতুন আদমশুমারি অনুমোদন করার পর দেশের জাতীয় নির্বাচন আগামী বছরের মার্চ মাস পর্যন্ত পিছাতে হতে পারে। পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশনকে (ইসিপি) নির্বাচনী এলাকার নতুন সীমানা নির্ধারণ করবে। যদি নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ করা হয় তবে নির্বাচন ফেব্রুয়ারি মাসের তৃতীয় সপ্তাহে বা মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হবে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
শনিবার (৪ আগস্ট) সিসিআই বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে ২০২৩ সালের আদমশুমারি অনুমোদনের পর, নতুন ডিজিটাল আদমশুমারির ভিত্তিতে ইসিপি জাতীয় নির্বাচন করতে বাধ্য। নির্বাচন কীভাবে হবে তা চলতি বছরের অক্টোবর বা নভেম্বর মাসে নির্ধারণ করা হবে।
সিসিআই বৈঠকের পর জারি করা এক বিবৃতি অনুসারে,পাকিস্তানের চার মুখ্যমন্ত্রী এবং সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সম্মতিতে ২০২৩ সালের আদমশুমারি অনুমোদিত দেয়া হয়েছিল।
সিসিআইয়ের সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সানাউল্লাহ আরও বলেন, “আমার মতে, নতুন সীমানা নির্ধারণ করা একটি সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা। সংবিধান অনুযায়ী একটি আদমশুমারির ভিত্তিতে দুটি সাধারণ নির্বাচন হতে পারে না। নতুন আদমশুমারির ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত হওয়ার পর নির্বাচনী এলাকার নতুন সীমানা নির্ধারণ করা হবে বলে সংবিধানে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।”
তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে সানাউল্লাহ বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান নির্বাহীর জন্য এখনও কোনো নাম চূড়ান্ত হয়নি। মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রীর চূড়ান্ত নাম সামনে আসবে বলেও জানান তিনি।








