ফ্রান্সে নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত চার্লস কুশনারকে ফরাসি সরকারের মন্ত্রীদের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ থেকে বিরত রাখা হয়েছে। প্যারিসের ইউরোপ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডেকে পাঠানো হলেও তিনি হাজির না হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ফরাসি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) জানায়, ট্রাম্প প্রশাসনের মন্তব্য, যা ফ্রান্সের এক কট্টর ডানপন্থী কর্মীর সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ডের পর করা হয়েছিল, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে কুশনারকে তলব করা হয়। কিন্তু তিনি ব্যক্তিগত ব্যস্ততার অজুহাতে নিজে না গিয়ে দূতাবাসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে পাঠান।
মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, “রাষ্ট্রদূতের দায়িত্বের মৌলিক শর্ত এবং নিজ দেশের প্রতিনিধিত্বের সম্মান সম্পর্কে সুস্পষ্ট ব্যর্থতার প্রেক্ষিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ নোয়েল বোরো সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে, রাষ্ট্রদূত কুশনার আর সরাসরি ফরাসি সরকারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারবেন না। তবে তিনি কূটনৈতিক দায়িত্ব পালন এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখতে পারবেন। ‘’
বিতর্কের সূত্রপাত
যুক্তরাষ্ট্রের প্যারিস দূতাবাস গত রোববার ওয়াশিংটনে ট্রাম্প প্রশাসনের মন্তব্য পুনঃপ্রচার করে। মন্তব্যটি ছিল ২৩ বছর বয়সী কট্টর ডানপন্থী কর্মী কোয়েন্টিন দেরাঙ্কের মৃত্যুকে ঘিরে। অভিযোগ রয়েছে, বামপন্থী কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষে তিনি নিহত হন, যা ফ্রান্সে ব্যাপক আলোড়ন তোলে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সন্ত্রাসবাদবিরোধী ব্যুরো এক পোস্টে বলেছিল, এই হত্যাকাণ্ড আমাদের সবার উদ্বেগের বিষয় হওয়া উচিত এবং ফ্রান্সে সহিংস চরমপন্থী বামপন্থার উত্থান জননিরাপত্তার জন্য হুমকি।
এই মন্তব্যে ক্ষুব্ধ হয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বারো বলেন, বিশেষ করে সহিংসতার বিষয়ে আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়াশীল আন্দোলনের কাছ থেকে আমাদের কোনো শিক্ষা নেওয়ার নেই।








