১৯৭১ সালের যুদ্ধের পর এই প্রথমবার পাকিস্তানের মাটিতে একযোগে আক্রমণ করেছে ভারতীয় সেনা, নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনী। পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ৯ জায়গায় এয়ার স্ট্রাইক করেছে ভারত।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
সুনির্দিষ্ট ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে ভারতের তরফে। পাকিস্তানের সামরিক কোনো ঘাঁটিকে নিশানা করা হয়নি। বেছে বেছে ধ্বংস করা হয়েছে জঙ্গি ঘাঁটি বলে সন্দেহ করা বিভিন্ন স্থান। ভারতের রাফাল দিয়ে চালানো হয় হামলা।
ভারতের বিমানবাহিনী থেকে জানানো হয়েছে, উরি, পুঞ্চ, রাজৌরি, কুপওয়াড়া সেক্টরে নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে পাক সেনা। পাল্টা জবাব দিচ্ছে বিএসএফও। পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার ১৫ দিনের মধ্যে জবাব দিয়েছে ভারত। রাতারাতি যাদের সিদুঁর মুছে দিয়েছিল জঙ্গিদের দল, তাদের প্রতি সুবিচার করেই জঙ্গিদের ঘাঁটি, প্রশিক্ষণের জায়গা রাফাল বিমানের সাহায্যে গুঁড়িয়ে দিয়েছে ভারত। সফল হয়েছে ‘অপারেশন সিঁদুর’।
যদিও এএফপি ও রয়টার্স সূত্রে জানা গেছে, ভারতীয় ৫টি যুদ্ধ বিমান ভূপাতিত করেছে পাকিস্তান।
মঙ্গলবার (৬ মে) স্থানীয় সময় রাত ১টা ৪৪ মিনিটে ভারতের তিন সেনাবাহিনী ‘অপারেশন সিঁদুর’ অপারেশন শুরু করেছে বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। এই অভিযানে পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের বিভিন্ন স্থান গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে ক্ষেপণাস্ত্রের সাহায্যে।
ভারতীয় কতৃপক্ষের দাবি, জইশ-ই-মহম্মদের হেডকোয়ার্টার থেকে লস্কর-ই-তৈবার ঘাঁটি, ভারতের নিশানায় ছিল সবই। অপারেশন সিঁদুরে অংশ নেয়া বিমান সেনার সমস্ত বিমানচালক নিরাপদে ফিরে এসেছেন। অপারেশন সিঁদুরের পর জানানো হয়েছে বিমানসেনার তরফে।
গত ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ের বৈসারন উপত্যকায় ভয়াবহ জঙ্গি হামলা হয়েছিল। পর্যটকদের উপর নির্বিচারে গুলি চালায় জঙ্গিরা। ধর্মীয় পরিচয় জেনে হিন্দু পর্যটকদের উপরে, মূলত পুরুষদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। মোট ২৫ জন পর্যটকের মৃত্যু হয়। আর তাদের বাঁচাতে গিয়ে জঙ্গিদের গুলিতে নিহত হন স্থানীয় এক যুবক, যিনি টাট্টু ঘোড়ার চালক ছিলেন।








