বর্ণবাদ বিতর্কে তুরস্কের ফুটবল ফেডারেশন হোসে মরিনহোকে চার ম্যাচ নিষিদ্ধ ও জরিমানা করেছে। পর্তুগিজ কোচকে হুমকি দেয়া হয়েছিল মামলার। মরিনহোও দমে যাওয়াল মতো নন, উল্টো গ্যালাতাসারাই ক্লাবের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছেন ফেনেরবাচ কোচ।
চলতি বর্ণবাদ বিতর্কে কোচের পাশে থাকার ঘোষণা আগেই দিয়েছিল ফেনারবাচে। বিবৃতিতে ক্লাবটি জানিয়েছে, ‘ব্যক্তিগত অধিকারের উপর আঘাত’ করায় গ্যালাতাসারাই ক্লাবের বিরুদ্ধে ১৯ লাখ ৭ হাজার লিরা ‘নৈতিক ক্ষতিপূরণের’ মামলা করা হয়েছে।
ইস্তাম্বুল প্রতিদ্বন্দ্বী গ্যালাতাসারাইয়ের মাঠে ম্যাচ শেষে তুর্কি রেফারিদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করায় পর্তুগিজ কোচকে চার ম্যাচ নিষিদ্ধের পাশাপাশি জরিমানা করেছে তুরস্কের ফেডারেশন। মরিনহোকে ১৬ লাখ ১৭ হাজার লিরা জরিমানা করা হয়, যা প্রায় ৪৪ হাজার ডলার বা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫৩ লাখ টাকারও বেশি।
গত সোমবার টার্কিশ ফুটবল লিগের ক্লাব গ্যালাতাসারাইয়ের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করে ফেনেরবাচ। হাইভোল্টেজ ম্যাচের লড়াই শেষে ওঠে বিতর্ক। নিজ দলের ডিফেন্ডার আকচিচেক সম্পর্কে বলতে গিয়ে স্লোভেনিয়ান রেফারির প্রসঙ্গ টেনে মরিনহো বলেছিলেন, ‘অবশ্যই রেফারিকে ধন্যবাদ দিতে চাই। প্রথম মিনিটে প্রতিপক্ষের একজন ডাইভ দেয়ার পর তাদের বেঞ্চের সদস্যরা বানরের মতো লাফালাফি করেছে। টার্কিশ রেফারি হলে প্রথম মিনিটেই আমাদের হলুদ কার্ড দেখানো হতো এবং আমাকে পাঁচ মিনিট পরই তাকে বদলি করে ফেলতে হতো।’
‘‘আমি ম্যাচ শেষে ড্রেসিংরুমে রেফারির সঙ্গে দেখা করেছি। সেখানে চতুর্থ রেফারিও ছিল, যে একজন টার্কিশ। তাকে (বেনচিচ) বড় এই ম্যাচে দায়িত্ব পালন করতে আসার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছি। এরপর চতুর্থ রেফারিকে বলেছি, ‘যদি তুমি এই ম্যাচে রেফারি থাকতে, তবে বিপর্যয় হয়ে যেত।’’
ফেনেরবাচের মাঠে গ্যালাতাসারাইয়ের বেঞ্চে থাকা সদস্যরা ‘বানরের মতো লাফালাফি করেছে’। ক্লাব ফেনেরবাচের কোচের এমন মন্তব্যকে ‘বর্ণবাদী’ আচরণ বলা হয়েছে এবং মরিনহোর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার হুমকি দিয়েছিল ক্লাবটি।








