দিল্লিতে মাদকচক্রের ‘হোতা’ নারী ও দেহরক্ষী গ্রেপ্তার
উদ্ধার নগদ টাকা-স্বর্ণ

ছবি: সংগৃহীত
ভারতের দিল্লিতে আন্তঃরাজ্য মাদক পাচারচক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এক নারী ও তার সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে হেরোইন, বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা, স্বর্ণ ও রুপার গয়না উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার নারী পার্বতীর বিরুদ্ধে আগে থেকেই ১২টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।
৪২ বছর বয়সী পার্বতী ও তার সহযোগী ৩০ বছর বয়সী বিকাশ কুমার ওরফে শানুকে উত্তর দিল্লির বাওয়ানার নিউ সানথ কলোনি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, বিকাশ পার্বতীর দেহরক্ষী হিসেবে কাজ করতেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত পার্বতীর বিরুদ্ধে এনডিপিএস আইন ও আবগারি আইনে ১২টি মামলা রয়েছে। নরেলা ইন্ডাস্ট্রিয়াল এরিয়া থানার নথিতেও তার নাম রয়েছে।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর নিউ সানথ কলোনিতে মাদক সরবরাহের একটি চক্র সক্রিয় থাকার তথ্য পায় দিল্লি পুলিশের আউটার নর্থ জেলার অ্যান্টি-নারকোটিকস স্কোয়াড। পরে একটি বাড়ির দ্বিতীয় তলায় অভিযান চালিয়ে পার্বতী ও বিকাশকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারের সময় পার্বতীর কাছ থেকে ১ দশমিক ২০৪ কেজি হেরোইন উদ্ধার করা হয়। পুলিশের দাবি, এসব মাদকের আনুমানিক মূল্য দেড় কোটি রুপির বেশি।
পরে পার্বতীর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ৫৬ লাখ ৬৯ হাজার রুপি নগদ, ৩৫৫ গ্রাম স্বর্ণ, ১৬১ গ্রাম রুপা এবং চারটি সম্পত্তির নিবন্ধনসংক্রান্ত নথি উদ্ধার করা হয়। এছাড়া অভিযানে মোট ৬৪ লাখ ৬২ হাজার রুপি নগদ, স্বর্ণ ও রুপার গয়না এবং দুটি গাড়ি জব্দ করা হয়েছে।

পুলিশের অভিযোগ, মাদক ব্যবসা থেকে পাওয়া অর্থ দিয়ে এসব সম্পদ কেনা হয়েছে। ওই অর্থে পার্বতী একটি বাড়ি নির্মাণ করছিলেন বলেও জানিয়েছে পুলিশ। তার মালিকানাধীন একটি টাটা হ্যারিয়ার গাড়িও জব্দ করা হয়েছে।






