শনিবার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন কিংবদন্তী শিল্পী ফরিদা পারভীন। তার মৃত্যুতে শুধু সংগীত জগতই নয়, পুরো সাংস্কৃতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া।
গুণী এই মানুষটির স্মরণে চ্যানেল আইতে রাখা হয়েছে শোক বই।
প্রখ্যাত এই শিল্পীর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই চ্যানেল আই কার্যালয়ে রাখা হয়েছে ছবিসহ তার নামে একটি শোক বই।
যেখানে তাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করছেন সংস্কৃতি অঙ্গনের পরিচিত মুখ থেকে সাধারণ ভক্ত অনুরাগীরাও। রবিবার সকাল থেকেই শোক বইয়ে বহুজনকে দেখা গেছে তাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করতে।
জানা যায়, বেশ কিছুদিন ধরে কিডনিসহ আরো কিছু শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন ফরিদা পারভীন। শেষ কয়েক মাসে বেশ কয়েকবার হাসপাতালে ভর্তি হয়ে নিয়েছিলেন চিকিৎসা। সবশেষ চলতি মাসের ২ তারিখে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। শনিবার রাত সাড়ে ১০টায় তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। এছাড়াও সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীসহ দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনের বহু মানুষ তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
১৯৫৪ সালে জন্ম নেয়া ফরিদা পারভীন ১৯৬৮ সালে রাজশাহী বেতারে নজরুলসংগীত দিয়ে সংগীতজীবন শুরু করেন। ১৯৭৩ সালে দেশাত্মবোধক গান গেয়ে পরিচিতি পান তিনি। পরে সাধক মোকসেদ আলী শাহের কাছে লালনসংগীতে তালিম নিয়ে ধীরে ধীরে হয়ে ওঠেন লালনসংগীতের জীবন্ত কিংবদন্তী।
শিশুদের লালন সংগীত শেখানোর জন্য তিনি অচিন পাখি স্কুল নামে একটি গানের স্কুল গড়ে তুলেন।
সংগীতে অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৮৭ সালে তিনি একুশে পদক লাভ করেন। পরে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পান তিনি।








