সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, শিগগিরই এসি বাস ও মিনিবাসের ভাড়ার তালিকা প্রণয়ন করা হবে। পাশাপাশি গণপরিবহনের অভ্যন্তরে ডিজিটাল ডিসপ্লেতে ভাড়া প্রদর্শন করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আজ (৯ এপ্রিল) বৃহস্পতিবার সংসদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সদস্য রুমিন ফারহানার টেবিলে উপস্থাপিত তারকাচিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সড়ক পরিবহন আইন অনুযায়ী প্রতিটি মহানগর, বিভাগ ও জেলায় একটি করে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন কমিটি গঠন এবং তাদের কর্মপরিধি নির্ধারণের বিধান রয়েছে।
তিনি জানান, সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ৬০(ক) অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কমিটি রাস্তার ধারণক্ষমতা বিবেচনায় নিজ নিজ এলাকায় পরিবহনযানের সংখ্যা নির্ধারণ ও রুট পারমিট অনুমোদন করে। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ধারা ৩৪(২)-এর ক্ষমতাবলে গেজেট জারি করে গণপরিবহনের ভাড়ার হার ও সর্বনিম্ন ভাড়া নির্ধারণ বা পুনর্নির্ধারণ করা হয়।
তিনি আজ সংসদে টাঙ্গাইল-৭ আসনের সরকারি দলের সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীর টেবিলে উপস্থাপিত তারকাচিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, সড়ক ও মহাসড়কে দুর্ঘটনা কমাতে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর বিভিন্ন ধাপে ইঞ্জিনিয়ারিং, এনফোর্সমেন্ট, প্রযুক্তি ও ব্যবস্থাপনা ভিত্তিক নানা পদক্ষেপ নিয়েছে।
শেখ রবিউল আলম আরো জানান, বাংলাদেশের সড়ক ও মহাসড়কে দুর্ঘটনা কমাতে ব্ল্যাক স্পট চিহ্নিতকরণ এবং দুর্ঘটনাপ্রবণ স্থানগুলো চিহ্নিত করে জ্যামিতিক উন্নয়ন, রাস্তা সরলীকরণ করা, সাইন-সিগনাল, মার্কিং ইত্যাদি বসানো হচ্ছে। রোড ফার্নিচার উন্নয়ন-গার্ডরেল, ডেলিনিয়েটর, স্পিড ব্রেকার, সাইনবোর্ড ইত্যাদি বসানো এবং পথচারী নিরাপত্তা ব্যবস্থা-বাজার/হাট এলাকায় ওভারপাস, ফুটওভার ব্রিজ, জেব্রা ক্রসিং, সার্ভিস রোড নির্মাণ হচ্ছে।
তিনি জানান, ধীরগতির যানবাহনের জন্য সড়কের পাশে প্রশস্ত শোল্ডার বা আলাদা লেন রাখা হয়েছে এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার-এর অংশ হিসেবে আইটিএস- ইন্টিলিজেন্ট ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম চালু করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা, ভেহিক্যাল ডিটেকশন সিস্টেম (ভিডিএস), স্পিড এনফোর্সমেন্ট সিস্টেম যা বর্তমানে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে চালু করা হয়েছে। ভবিষ্যতে সারা দেশের মহাসড়কে এই প্রযুক্তি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।







