ডয়েচে ব্যাংক পার্কে মহাকাব্য রচনা করেছেন ডিয়েগো কস্তা। শেষ ষোলোর লড়াইয়ে পর্তুগিজদের প্রায় রুখেই দিয়েছিল স্লোভেনিয়া। রোনালদো পেনাল্টি মিস, গোল শূন্য সমতায় খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানে দুর্দান্ত ডিয়েগো কস্তা। গোলবারের নিচে দাঁড়িয়ে স্লোভেনিয়াকে পরাস্ত করে পর্তুগালকে নিয়ে গেলেন কোয়ার্টার ফাইনালে।
স্লোভেনিয়ার পরপর তিনটি পেনাল্টি ঠেকিয়ে দেন কস্তা। তিনটি স্পট কিক নিয়ে তিনটিতেই গোল আদায় করে নেয় পর্তুগিজ বাহিনী। আর তাতেই ফলাফল নির্ধারণ হয়ে যায়। টাইব্রেকারে ৩-০ গোলে জয় পেয়েছে পর্তুগাল।
ম্যাচজুড়েই ছিল টানটান উত্তেজনা। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে মেতেছিল দুদলই। আক্রমণ-প্রতি আক্রমণে ৯০ মিনিট শেষ হয়ে যায় গোল শূন্য সমতায়। খেলা অতিরিক্ত সময় গড়ালে পর্তুগিজদের সামনে সুযোগ আসে।
১০৩ মিনিটে ডি বক্সে ফাউল করে বসেন ভনজা ড্রকুসিস। পেনাল্টি পায় পর্তুগাল। স্পট কিকে ক্রিস্টিয়ানোর রোনালদোর শট ডান দিকে ঝাপিয়ে পড়ে ঠেকিয়ে দেন ওবলাক। গোল বঞ্চিত হয় পর্তুগিজ বাহিনী। পরের মিনিটেই রেফারির সাথে তর্ক করে লাল কার্ড দেখেন স্লোভেনিয়া কোচ।
অতিরিক্ত সময়েও কোনো দল গোল না করতে পারায় খেলার ভাগ্য নির্ধারণী হয়েছে টাইব্রেকারে। প্রথমে স্লোভেনিয়া শট নিতে আসে। জোসিপ লিচিচকে ডানদিকে ঝাপিয়ে প্রতিহত করেন কস্তা।
পর্তুগালের হয়ে প্রথম শটটি নিতে আসেন রোনালদো। আগের ভুল আর এবার করেননি কিংবদন্তি ফরোয়ার্ড। বাঁ দিক দিয়ে বল পাঠান জালে। পরের দুটি স্পট কিকও বাঁ দিকে ঝাপিয়ে ঠেকিয়ে দেন কস্তা। পর্তুগালের হয়ে স্পট কিক নিতে আসা ব্রুনো ফের্নান্দেস ও বের্নাদো সিলভা নিজেদের কাজটা ঠিকঠাক মত করেন। জয়োল্লাসে ভাসে।
আগামী ৬ জুন বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত একটায় কোয়ার্টারে পর্তুগিজরা মুখোমুখি হবে ফ্রান্সের।








