অ্যাশেজ ব্যর্থতার পর পুনর্গঠনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে ইংল্যান্ড টেস্ট দল। বদল এসেছে কোচ, অধিনায়ক হয়ে পরিচালনা পর্ষদেও। এতকিছু পরিবর্তন করে সুদিন আসবে? নিউজিল্যান্ডের প্রধান কোচ গ্যারি স্টেডের বিশ্বাস, দলে দ্রুত প্রভাব ফেলবেন ইংলিশদের নতুন কোচ ব্রেন্ডন ম্যাককালাম। তবে ভালো কিছুর জন্য সমর্থকদের ধৈর্য ধরতে হবে।
স্টেড বলছেন, ব্লাক ক্যাপসদের সাবেক কোচ মাইক হেসনের সঙ্গে ম্যাককালাম নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটে পরিবর্তনের প্রভাবক ছিলেন। ইংল্যান্ডে নতুন ভূমিকায় চিহ্ন রাখতে কম সময় খরচ করবেন সাবেক কিউই অধিনায়ক।
‘কোনো সন্দেহ নেই, আমি বাজকে (ম্যাককালামকে) জানি, তিনি দ্রুত প্রভাব ফেলবেন। আমি নিশ্চিত ইংল্যান্ড দলেও হার্ট-অন-দ্য-স্লিভ (আবেগ তাড়িত হয়ে খেলা) ধরনের খেলা ফিরিয়ে আনবেন। কী এবং কীভাবে খেলাটি খেলতে চান, সে সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত বুঝে নেবেন।’
গ্যারি কারস্টেন, মাহেলা জয়াবর্ধনে, কুমার সাঙ্গাকারাকে পেছনে ফেলে ইংলিশদের টেস্ট কোচ হয়েছেন ম্যাককালাম। এমন সময়ে ইংলিশদের দায়িত্ব নিয়েছেন যখন স্বরণকালের অন্যতম বাজে সময়ের মধ্যে আছে দলটি। ম্যানেজিং ডিরেক্টরে এসেছেন রব কী, জো রুটের জায়গায় নেতৃত্ব পেয়েছেন বেন স্টোকস।
তার উপর ইংলিশদের হয়ে ম্যাককালামের প্রথম মিশন নিজ দেশের বিপক্ষেই। আসছে বৃহস্পতিবার লর্ডসে কিউইদের বিপক্ষে তিন ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথমটিতে নামবে স্টোকসের দল। সাদা জার্সিতে শেষ ১৭ টেস্টে যে দলটি মাত্র একটি ম্যাচ জিততে পেরেছে, তাদের শুরুতেই সফলতা এনে দেয়া হবে কষ্টকরই!
জয়ের প্রশ্নে উভয় দলের ফিফটি-ফিফটি সুযোগ দেখছেন গ্যারি স্টেড। ম্যাককালামের সফল হওয়ার বিষয়টি অজানা জানিয়ে বলেছেন, ‘খেলোয়াড়রা কীভাবে খেলবেন তার উপর এখনও সব নির্ভরশীল। আমি নিশ্চিত ম্যাককালাম কিছু প্রভাব ফেলবেন, তবে এটি এখনই নাকি ভবিষ্যতে, কে জানে?’
‘অবশ্যই আমরা জয়-পরাজয়কে সেভাবে দেখি না। যখন খেলা শুরু হবে তখন দুটি দলেরই জেতার সম্ভাবনা ৫০ শতাংশ করে থাকবে। এটি শুধু ছোট মুহূর্ত জেতা এবং তারপর ফলাফল নিজেই দেখাবে।’








