বাফুফের উইমেন্স ফুটবল কমিটির বৈঠক শেষে খবরটি জানা গেল। নারী ফুটবল লিগে অংশগ্রহণকারী ক্লাবগুলোর দাবির প্রেক্ষিতে তাদের কাউন্সিলরশিপ দেয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনাধীন রয়েছে। ফেডারেশনের বার্ষিক সাধারণ সভায় সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতে এটি পাশ হলে, বাফুফের আগামী নির্বাচনে নতুন ক্লাবগুলো ভোটাধিকার পাবে।
ছয় মাস পর হতে চলা বাফুফের নির্বাচনের আগে কাউন্সিলরশিপ বৃদ্ধির বিষয়টি সামনে আসছে। বর্তমান কমিটি ভোটার সংখ্যা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে এমন পদক্ষেপ নিচ্ছে কিনা, সে প্রশ্নও জোরাল হচ্ছে। যদিও বাফুফের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও নারী উইংয়ের চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণ মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সামনে কাউন্সিলরশিপ দেয়ার বিষয়ে যুক্তিও তুলে ধরেছেন।
‘নারী ফুটবলে ক্লাবগুলোর অবদান রয়েছে। তারা সেই অবদানের প্রেক্ষিতে স্বীকৃতি চায়। কাউন্সিলরশিপ থাকলে অনেকে দল গঠনে আগ্রহী হবে। আমরা নারী ফুটবল কমিটি থেকে বিষয়টি নির্বাহী কমিটিতে পাঠাব। নির্বাহী কমিটিতে পাশ হলে এরপর এজিএমে বিষয়টি উঠবে।’
গত চার বছরের মধ্যে তিনবার নারী লিগ হয়েছে। এ সময়ের ভেতর দলগুলো কাউন্সিলরশিপ না চাইলেও নির্বাচনের ছয় মাস আগে আগে কেন চাচ্ছে, সেটি নিয়ে থাকছে বড় প্রশ্ন। এ ব্যাপারে কিরণের ভাষ্য, ‘দাবিটি ক্লাবগুলোর পক্ষ থেকে এসেছে। তারা এখন দাবি করেছে।’
বর্তমানে বাফুফের ২১ সদস্যের কমিটি ১৩৯ কাউন্সিলরের ভোটে নির্বাচিত হয়। জেলা-বিভাগীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন, প্রিমিয়ার লিগ, বিসিএল, প্রথম বিভাগের সকল ক্লাব, দ্বিতীয় বিভাগের শীর্ষ দশটি ও তৃতীয় বিভাগের শীর্ষ আটটি ক্লাব (সবশেষ লিগের) ভোটাধিকার পায়। এদের সঙ্গে রেফারিজ অ্যাসোসিয়েশন, কিছু বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষা বোর্ড, কোচেস অ্যাসোসিয়েশন, নারী ক্রীড়া সংস্থারও ভোটাধিকার রয়েছে।








