টেস্ট ক্রিকেটকে দুই স্তরে ভাগ করার কথা ভাবছে আইসিসি। গত মাসে এর জন্য একটি ওয়ার্কিং গ্রুপও গঠন করেছে সংস্থাটি। সম্ভাব্যতা যাচাই করে ২০২৫ সালের শেষ দিকে প্রতিবেদন জমা দেবেন তারা। সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকে নতুন কাঠামো চালু করতে চায় বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। তবে আইসিসির নতুন পরিকল্পনার সাথে একমত নয় ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)।
বর্তমানে আইসিসির ১২টি পূর্ণ সদস্য দেশ রয়েছে, যাদের মধ্যে ৯টি অংশ নিচ্ছে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে। তবে নিচের সারির দলের ম্যাচগুলো প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ না হওয়ায় এবং আর্থিকভাবে লাভজনক না হওয়ার কারণে দীর্ঘদিন ধরেই টেস্ট ক্রিকেটকে স্তরভিত্তিক করার আলোচনা চলছে। নতুন প্রস্তাবনা অনুযায়ী, র্যাঙ্কিংয়ের নিচের দলগুলো আর র্যাঙ্কিংয়ের উপরের দলগুলো নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত খেলার সুযোগ পাবে না।
এখানেই আপত্তি ইসিবির। ইংলিশ ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি বলছে, অবনমনের ফলে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া কিংবা ভারতের মত দল যদি একই স্তরে না থাকে, তাহলে লাভজনক প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে বঞ্চিত হতে হবে।
ইসিবি চেয়ারম্যান রিচার্ড থম্পসন জানিয়েছেন, তিনি এখনও নিশ্চিত নন আইসিসি টেস্ট ক্রিকেটের জন্য দ্বি-স্তরের কাঠামো নিয়ে আলোচনা করছে তা নিখুঁত কিনা। তার মতে, এর বিকল্প খোঁজা উচিত।
বলেছেন, ‘আমাদের অনেক বিকল্প দেখতে হবে- স্তরগুলি তাদের মধ্যে একটি হতে পারে। তবে আমরা চাই না, ইংল্যান্ড একটি অলস সময়ের মধ্য দিয়ে যাই। অর্থাৎ, যদি কখনও আমরা দ্বিতীয় বিভাগে অবনমিত হই এবং অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের বিপক্ষে খেলতে পারবো না। এটা হতে পারে না। এই সাধারণ বিষয়টি বুঝা উচিত।’
ইসিবি প্রধান দ্বি-স্তর কাঠামো থেকে বের হওয়ার পরামর্শ দিয়ে বলেছেন, ‘বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ যদি উন্নত করা হয় এবং কিছু পরিবর্তন আনা হয়, তাহলে দুই স্তরের কাঠামোর প্রয়োজন হবে না। যা প্রয়োজন তা হলো এমন একটি সময়সূচী যা বর্তমানের তুলনায় অনেক বেশি অর্থবহ। এর মধ্যে অবশ্যই দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেটের পরিমাণ, সাদা বল এবং লাল বল অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।’








