বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইতিহাস, ভূমিকা ও কার্যক্রম নিয়ে খাইরুল ইসলাম তুফান নির্মাণ করেছেন বিশেষ ধারাবাহিক প্রামাণ্যচিত্র ‘দূর্বার – সমরে, শান্তিতে’। শিগগিরই বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আই এবং রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি)-তে দেখা যাবে প্রথমবারের মতো নির্মিত এরকম কোন প্রামাণ্যচিত্র।
৩২ পর্বের প্রামাণ্যচিত্রে মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জন্ম ও ভূমিকা, পাহাড় ও সমতলে নিরাপত্তা কার্যক্রম, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের অংশগ্রহণ, দুর্যোগকালীন মানবিক সহায়তা এবং বাহিনীর আধুনিকায়ন কার্যক্রম তুলে ধরা হয়েছে বলে জানান নির্মাতা।
খাইরুল ইসলাম তুফান চ্যানেল আই অনলাইনকে জানান, ধারাবাহিকটিতে তথ্যভিত্তিক উপস্থাপনার পাশাপাশি বাস্তব চিত্র ও সাক্ষাৎকার ব্যবহার করা হয়েছে। তার মতে, ‘দূর্বার’ কেবল একটি প্রামাণ্যচিত্র নয়, বরং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের এক জীবন্ত ভিজ্যুয়াল দলিল।
এটির নির্মাণ ভাবনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, “সেনাবাহিনীর জলপাই রঙের ইউনিফর্মের আড়ালে যে মানবিক ও দেশপ্রেমিক হৃদয়টি স্পন্দিত হয়, ‘দূর্বার’- এর মাধ্যমে আমরা সেই হৃদস্পন্দনটিকেই সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চেয়েছি।”
এই ৩২টি পর্ব কেবল তথ্যের সমাহার নয়, বরং এটি সাধারণ জনগণ এবং সেনাবাহিনীর মধ্যে আস্থার সম্পর্ককে আরও গভীর করার একটি প্রয়াস।
“আমাদের লক্ষ্য তরুণ প্রজন্ম যেন এই সিরিজের মাধ্যমে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয় এবং জানতে পারে, সমরে কিংবা শান্তিতে, তাদের সেনাবাহিনী কতটা ‘দূর্বার’।”
এর আগে বাংলাদেশ পুলিশকে নিয়ে ‘সবুজ সংকেত’ (৩০০+ পর্ব) নির্মাণ করে সাড়া পান তুফান। পুলিশের মানবিক মুখকে সাধারণ মানুষের সামনে উন্মোচিত করে হয়েছিলেন প্রশংসিত। এছাড়া ‘লিগ্যাল এইড: বিচারের প্রথম দরজা’ এবং সুন্দরবন ও বাঘ রক্ষায় তার নির্মিত আন্তর্জাতিক মানের তথ্যচিত্রগুলো সর্বমহলে প্রশংসা কুড়িয়েছে।
খাইরুল ইসলাম তুফান বর্তমানে চ্যানেল আই-এর অনুষ্ঠান প্রযোজক হিসেবে কর্মরত। গত দেড় দশক ধরে তিনি বিবিসি ও ন্যাশনাল জিওগ্রাফিসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করেছেন।







