ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাথে সমন্বয় সাধন করে মহান মাতৃভাষা দিবস পালনের কর্মসূচি গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছে ঢাবি শিক্ষক সমিতি।
উপাচার্য বরাবর গত ২৫ জানুয়ারি ইস্যুকৃত একটি আবেদন পত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি এই দাবি জানিয়েছে।
আবেদনপত্রে উপাচার্য বরাবর শিক্ষক সমিতি উল্লেখ করে, আপনি নিশ্চয়ই অবগত আছেন যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি ২০২৫-এর নির্বাচন করা সম্ভব হয়নি। প্রতি বছর ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সমিতির কার্যকালের মেয়াদ পরিগণিত হয় (ধারা-৫)।
এতে বলা হয়, দেশের উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে কোনো জ্যেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচন কমিশনার হতে সম্মত হননি বিধায় নির্বাচন করা সম্ভব হয়নি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির গঠনতন্ত্রের ধারা ৬: খ.৫ অনুযায়ী “উত্তরসূরি নতুন কার্যকর পরিষদ গঠিত হবার পূর্ব পর্যন্ত চলতি পরিষদ কাজ চালিয়ে যাবে।”
এতে আরও বলা হয়, উল্লেখ্য, শিক্ষক সমিতি নির্বাচন ২০০৭ সালের ডিসেম্বরে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়েও রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে অনুষ্ঠিত হতে পারেনি। ফলে ২০০৭ সালের শিক্ষক সমিতির কার্যকর কমিটি ২০০৮ সালে শিক্ষক সমিতির কার্য পরিচালনা করেছে।
আবেদন পত্রে শিক্ষক সমিতি উল্লেখ করে, মহান একুশে ফেব্রুয়ারি শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের ক্ষেত্রে ঐতিহ্যগতভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রধান সমন্বয়ক এবং শিক্ষক সমিতির সহ-সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক যুগ্ম সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করে আসছে।
এতে বলা হয়, কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, মহান ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ পালনের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে আপনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতিকে বাদ দিয়ে আপনার কার্যক্রম শুরু করেছেন। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের চুয়ান্ন বছরের ইতিহাসে এ ধরনের ঘটনা কখনই ঘটেনি।
সবশেষে বলা হয়, আমরা এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাথে সমন্বয় সাধন করে মহান মাতৃভাষা দিবস পালনের কর্মসূচি গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি।

