এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার তিন আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (১৪ মে) মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদন মঞ্জুর করে এ আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জামসেদ।
কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলেন, মাদারীপুর সদরের এরশাদ হাওলাদারের ছেলে মো. তামিম হাওলাদার (৩০), কালাম সরদারের ছেলে পলাশ সরদার (৩০) ও ডাসার থানার যতিন্দ্রনাথ মল্লিকের ছেলে সম্রাট মল্লিক (২৮)।
বুধবার গভীর রাতে রাজধানীর রাজাবাজারসহ কয়েকটি এলাকা থেকে এ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
সাম্যর বড় ভাই শরীফুল ইসলাম রাজধানীর শাহবাগ থানায় ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভেতর দিয়ে মোটরসাইকেল চালিয়ে আসার সময় আরেকটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে ধাক্কা লাগায় কথা কাটাকাটির জেরে মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে দুর্বৃত্তরা সাম্যকে ছুরিকাঘাত করে। রাত ১২টার দিকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত সাম্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এএফ রহমান হল শাখা ছাত্রদলের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক ছিলেন। তিনি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া থানা এলাকায়।
বুধবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে নামাজে জানাজার পর সাম্যর মরহেদ নেওয়া হয় গ্রামের বাড়িতে। সেখানে দাফন করা হয় তাকে।
এদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আলম সাম্য’র মৃত্যুর প্রকৃত ঘটনা খতিয়ে দেখতে সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ঢাবি কর্তৃপক্ষ।
কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খানকে আহ্বায়ক করে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য কমিটিকে অনুরোধ করা হয়। বুধবার এ কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।







