ইতালিয়ান ওপেনে তৃতীয় রাউন্ডে চমক দেখিয়েছেন আলেজান্দ্রো তাবিলো। র্যাঙ্কিংয়ে একনম্বর মহাতারকা নোভাক জোকোভিচকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় উঠেছেন ৩২তম স্থানে থাকা কানাডিয়ান। ২৬ বর্ষী তারকার কাছে হেরে পারফরম্যান্সে বেশ হতাশ জোকো। বিষয়টি উদ্বেগজনক বলে মনে করছেন এ সার্বিয়ান।
রোমে রোববার ছেলেদের এককে রেকর্ড ২৪ বারের গ্র্যান্ড স্লামজয়ী জোকোভিচকে ৬-২, ৬-৩ গেমে উড়িয়ে দেন তাবিলো। ইতালিয়ান ওপেনে ছয়বারের চ্যাম্পিয়ন জোকো ২০০৬ সালের পর প্রথম প্রতিযোগিতাটিতে অন্তত কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হলেন।
শুক্রবার ইতালিয়ান ওপেনের দ্বিতীয় রাউন্ডে উদ্বোধনী ম্যাচে জয়ের পর সমর্থকদের আবদার মেটাতে কাছে গিয়ে অটোগ্রাফ দিয়েছিলেন জোকোভিচ। এ সময় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। দর্শক স্ট্যান্ড থেকে ছুঁড়ে মারা পানির বোতল তার মাথায় আঘাত হানে। তিনি মাথায় হাত দিয়ে হাঁটু গেড়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
সেদিনের ঘটনার প্রভাব এ ম্যাচে পড়েছে, মনে করছেন জোকোভিচ। ম্যাচ শেষে বলেছেন, ‘এটি সত্যিই আমাকে অনেক প্রভাবিত করেছে। যদিও চিকিৎসা নিয়েছিলাম। ঘটনার পর আধাঘণ্টা সেবা নিলেও পরে ঘণ্টাখানেক বমি বমি ভাব এবং মাথা ঘোরার মতো সমস্যা ছিল।’
মাথার স্ক্যান করাবেন ৩৬ বর্ষী সার্বিয়ান। বলেছেন, ‘ঠিকভাবে ঘুমাতে পেরেছিলাম। যদিও মাথাব্যথা ছিল। সেদিনের পর এবং গতকাল বেশ ভালো অনুভূতি ছিল। ভেবেছিলাম এটা ঠিক হয়ে গেছে। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে হয়ত ঠিক নেই, আবার ঠিক থাকতেও পারে।’
‘আজ কোর্টে মনে হয়েছে শুধুই নিজের ছায়া হয়ে আছি। কোনো ছন্দ নেই, গতি নেই, কোনো শটে ভারসাম্য নেই। বিষয়টি বেশ উদ্বেগজনক।’
জয়ের পর অবিশ্বাসের ঘোরে থাকা তাবিলো বলেছেন, ‘অবিশ্বাস্য। শুধু স্নায়ু চাপ ধরে রাখার চেষ্টা করছিলাম। যখনই মনে হয় যে শেষের কাছাকাছি এসেছি, বাহু একটু শক্ত হয়ে যায়। এসব নিয়ে না ভাবার এবং পয়েন্ট বাই পয়েন্ট এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলাম শুধু। পাগলাটে ব্যাপার। বিশ্বাস করতে পারছি না কী ঘটেছে।’








