বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন ১লা বৈশাখ থেকে সারাদেশে পরীক্ষামূলকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।
সরকারি এই উদ্যোগের আওতায় প্রত্যেক কৃষককে বছরে আড়াই হাজার টাকা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি সারের ভর্তুকিসহ বিদ্যমান অন্যান্য সুবিধাও অব্যাহত থাকবে।
প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের ৮টি বিভাগের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলার ১১টি ব্লকে এই কার্যক্রম চালু করা হচ্ছে। এতে ফসল উৎপাদনকারী কৃষকের পাশাপাশি মৎস্যচাষী ও আহরণকারী, প্রাণিসম্পদ খাতে নিয়োজিত খামারি, দুগ্ধ খামারি এবং ভূমিহীন, প্রান্তিক, ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বড় সব শ্রেণির কৃষককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে লবণ চাষীরাও এই সুবিধার আওতায় থাকবেন।
সরকার জানিয়েছে, আগামী চার বছরে সারাদেশে এই কার্ড বিতরণ এবং কৃষকদের তথ্য সংগ্রহ করে একটি সমন্বিত ডাটাবেজ তৈরি করা হবে।
এই ‘কৃষক কার্ড’-এর মাধ্যমে কৃষকরা যেসব সুবিধা পাবেন তা হলো, ন্যায্য মূল্যে কৃষি উপকরণ প্রাপ্তি, ন্যায্য মূল্যে সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষি ঋণ, স্বল্প মূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা, মোবাইল ফোনে আবহাওয়া পূর্বাভাস ও বাজার তথ্য, কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ, ফসলের রোগ-বালাই দমনে পরামর্শ, কৃষি বীমা সুবিধা এবং ন্যায্য মূল্যে কৃষিপণ্য বিক্রয়ের সুযোগ।
এটি একটি ব্যাংকিং ডেবিট কার্ড হিসেবে ব্যবহৃত হবে এবং সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হবে।







