‘নারীর ভূমি মালিকানা স্বত্ব প্রাপ্তিতে সীমাবদ্ধতা ও করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ ৪ নভেম্বর সোমবার সকাল নয়টায় ওয়াইডব্লিউসিএ’র (৩/২৩ ইকবাল রোড, আসাদগেট) কনফারেন্স হল রুমে বাদাবন সংঘ আয়োজিত গোল টেবিল আলোচনা সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বাদাবন সংঘ পরিচালিত নীতি গবেষণার সুপারিশগুলোকে নিয়েও আলোচনা হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী এবং নিজেরা করি’র সমন্বয়ক, খুশি কবীর। এছাড়াও আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন এ্যাসোসিয়েশন ফর ল্যান্ড রিফর্ম এ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (এএলআরডি) এর নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা, বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্র এর সভাপতি নাসিমুন আরা হক মিনু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. ঈশানী চক্রবর্তী, এ্যাসোসিয়েশন ফর ল্যান্ড রিফর্ম এ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (এএলআরডি) এর উপ নির্বাহী পরিচালক রওশন জাহান মনি প্রমুখ।

বাদাবন সংঘ ২০১৬ সাল থেকে স্থানীয় পর্যায়ে নারীর সামাজিক এবং অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে। নারীর ভূমি মালিকানার দাবি তার মধ্যে একটি।
এসময় নীতি গবেষণাটি উপস্থাপন করেন ইস্ট-ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক মুমিতা তানযীলা। গবেষণার আলোকে বক্তারা বলেন- বাংলাদেশে নারীর ভূমিতে মালিকানা অনেকটাই পিছিয়ে আছে। ধর্মীয় দৃষ্টিকোন থেকে উত্তরাধিকার আইন থাকলেও তার বাস্তবায়ন নেই।
সভার প্রধান অতিথি খুশি কবীর বলেন, ভূমিতে নারীর অধিকার ধর্মীয় আইন দ্বারা পরিচালিত হয়ে থাকে, ফলে দেখা যায় নারী ও সংখ্যালঘু মানুষেরা বৈষ্যম্যের শিকার হয়। এক্ষেত্রে অভিন্ন পারিবারিক আইন করা উচিত সেখানে সকল মানুষের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে।








