বিএনপি-জামাতের সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদ জানিয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের আসনভিত্তিক বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৪ মে) বিকেলে রাজধানীর দৈনিক বাংলা মোড়ে, বিক্রমপুর প্লাজা, জুরাইন, যাত্রাবাড়ী পার্ক, খোকা মাঠের সামনে, ঢাকেশ্বরী মন্দির (আজাদ মাঠ), কমলাপুর স্কুল (বৌদ্ধমন্দির), ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে এ বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাইন উদ্দিন রানার সভাপতিত্বে দৈনিক বাংলা মোড়ে প্রধান অতিথি থেকে বক্তব্য দেন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল।
বিএনপি-জামাতের উদ্দেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল বলেন, বাংলার সকল শ্রেণির মানুষ বঙ্গবন্ধুকন্যার পাশে আছে। আপনাদের কোন ষড়যন্ত্রই সফল হবে না। আগুন নিয়ে খেলা করবেন না, আওয়ামী লীগকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করবেন না, আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধুর সংগঠন। এই আওয়ামী লীগ সংগ্রাম করতে করতেই আজকে এই জায়গায় এসেছে। ৭৫ ঘটিয়েছেন, ২০০৪ সালে ২১ আগস্ট ঘটিয়েছেন। ১৭ই আগস্ট সারা বাংলাদেশে সিরিজ বোমা হামলা চালিয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর রেখে যাওয়া বাংলাদেশকে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের কাছে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু আপনাদের কোনো প্রচেষ্টাই সফল হয়নি ভবিষ্যতেও হবে না। আগুন নিয়ে খেলবেন না। ওই ক্রোধের আগুনেই আপনারা পুড়ে ছারখার হয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ। কারণ বাংলাদেশের মানুষ শেখ হাসিনার সাথে আছে। আমরা যুবলীগ, বাংলার যুবসমাজ, ছাত্রসমাজ আমরা শপথ গ্রহণ করেছি। যে মানুষটি নিজের সুখ-শান্তির কথা ভুলে গিয়ে, যে মানুষটি নিজের দুইটি সন্তানের চিন্তা ভুলে গিয়ে ১৬ কোটি মানুষের দায়িত্বভার কাঁধে তুলে নিয়েছেন এবং তিনি সফলতার সাথে দেশকে বিশ্বের মানচিত্রে মাথা উঁচু করে দাঁড় করিয়েছেন। সেই মানুষটিকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করবেন, হত্যার হুমকি দিবেন আর আমরা যুবলীগ চুপচাপ বসে থাকবো, বাংলার যুবসমাজ বেঁচে থাকতে তা আপনাদের ভাবাও ভুল। কারণ বঙ্গবন্ধুকন্যার ভালোবাসার শিকড় অনেক গভীরে। এই শিখর উপরে ফেলার ক্ষমতা কোন বিদেশী প্রভুদের নাই। কারণ বাংলার জনগণ বঙ্গবন্ধুকন্যার সাথে আছে। বাংলার যুবসমাজ সজাগ আছে।
বিএনপির সন্ত্রাসীরা গতকাল শান্তিপূর্ণ মিছিলের কথা বলে তারা বিআরটিসি বাসে আগুন দিয়েছে, তারা পুলিশের গায়ে হাত দিয়েছে। পুলিশ জনগণের বন্ধু। ১৯৭১ সালেও পাকিস্তানীরাও রাজারবাগে পুলিশের উপর হামলা করেছিল। আপনারাও বারবার পুলিশের উপর হামলা করেছেন।
তিনি যুবলীগের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে, জনগণের জানমাল-সম্পদ রক্ষার্থে আমরা রাজপথে থেকে বিএনপি-জামাতের সকল সড়যন্ত্রের দাঁতভাঙ্গা জবাব দিবো।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মো. হাবিবুর রহমান পবন, মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার মৃনাল কান্তি জোদ্দার, তাজউদ্দিন আহমেদ, মো. জসিম মাতুব্বর, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বিশ্বাস মুতিউর রহমান বাদশা, সুব্রত পাল, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মো. মাজহারুল ইসলাম, মো. সাইফুর রহমান সোহাগ, মশিউর রহমান চপল, প্রচার সম্পাদক জয়দেব নন্দী, দপ্তর সম্পাদক মো. মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদসহ কেন্দ্রীয়, মহানগর ও বিভিন্ন ওয়ার্ড যুবলীগের নেতৃবৃন্দ।







