বাংলাদেশগামী জ্বালানি আমদানির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হরমুজ প্রণালির নৌপথে চলাচলকারী ছয়টি জাহাজের বিস্তারিত তথ্য ইরানকে দিয়েছে বাংলাদেশ।
বুধবার (২৬ মার্চ) জ্বালানি বিভাগ এই তালিকা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তেহরানকে হস্তান্তর করে। ঢাকাস্থ ইরান দূতাবাস তথ্য চেয়ে চিঠি পাঠানোর একদিনের মধ্যে বাংলাদেশ এই তথ্য দিয়েছে। চিঠিতে তেহরান জানতে চেয়েছিল, বাংলাদেশগামী জ্বালানি ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) বহনকারী জাহাজগুলোর সর্বশেষ অবস্থান, লোডিং এবং নিরাপদ চলাচল সংক্রান্ত বিস্তারিত।
জ্বালানি বিভাগের সূত্রে জানা গেছে, তালিকাভুক্ত ছয়টি জাহাজে মোট প্রায় ৫ লাখ টন এলএনজি এবং ৭৯ হাজার টন অপরিশোধিত তেল পরিবহণ করা হবে। ছয়টি জাহাজের মধ্যে পাঁচটি এলএনজি চালান কাতার থেকে এবং একটি অপরিশোধিত তেলের চালান সৌদি আরব থেকে আসছে। এলএনজি চালানগুলোকে বাহামা ও গ্রিস পতাকাবাহী জাহাজে পরিবহণ করা হবে।
প্রথম এলএনজি চালান ‘আল আরিশ’ ১৪ এপ্রিল, দ্বিতীয় ‘মারান গ্যাস এফেসোস’ ২২ এপ্রিল, তৃতীয় ‘আল মাররৌনা’ ২৭ এপ্রিল এবং চতুর্থ ‘লুসাইল’ ১০ মে লোড হবে। এছাড়া ‘আল জাসাসিয়া’ নামের জাহাজ ২ এপ্রিল লোডিং সম্পন্ন করেছে। অপরিশোধিত তেলের ট্যাংকার ‘এমটি নর্ডিক পলাক্স’ ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের পথে রয়েছে।
জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তা জানান, প্রতিটি জাহাজের লোডিং তারিখ, কার্গো ক্ষমতা, লোডিং বন্দর এবং আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা নম্বরসহ বিস্তারিত তথ্য তেহরানকে প্রদান করা হয়েছে।







