এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
চলতি বছর ডেঙ্গুর বাহক ‘ডেন-টু’ এবং ‘ডেন থ্রি’ দুই ধরনের ভাইরাস দিয়ে ডেঙ্গুজ্বরের সংক্রমণ চলছে। ফলে বাড়ছে ডেঙ্গুজ্বর জনিত জটিলতা।
সরকারের আইইডিসিআর বলছে, এবছর ডেঙ্গু জ্বরের সংক্রমণ খানিকটা দেরিতে শুরু হয়েছে। তবে সহসাই প্রকোপ কমছে না বরং দিনের তাপমাত্রা কমে শীত বাড়লেও এডিস মশার প্রজনন কমে ডেঙ্গুজ্বরের সংক্রমণ কমবে।
সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইতোমধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে নব্বই হাজারের বেশি মানুষ। আর এখন পর্যন্ত ৩শ ৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে রোববার একদিনেই মৃত্যু হয় ৮ জনের। যা এক দিনে তৃতীয় সবোর্চ্চ মৃত্যু।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সময়ের সাথে ডেঙ্গু জ্বরের সবোর্চ্চ সংক্রমণের সময় পাল্টেছে। আগে এপ্রিল-মে ডেঙ্গু জ্বরের আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বেশি হলেও গত কয়েক বছর ধরে ক্রমেই বছরের শেষ মাস নাগাদ গিয়ে সবোর্চ্চ সংক্রমণ ঘটছে। সেই হিসেবে চলতি বছর ডেঙ্গু জ্বরের প্রবণতা বাড়ছে অক্টোবর-নভেম্বর মাস জুড়ে। এর জন্য এডিস মশার প্রজনন উপযোগী আবহাওয়াকে দায়ী করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আইইডিসিআর বলছে, জ্বর হলে অবহেলা নয়। কারণ একই ব্যক্তি আগে কখনও ‘ডেন-টু’ জনিত ডেঙ্গুজ্বর এবং পরে ‘ডেন থ্রি’ ভাইরাস দিয়ে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলে জটিলতা বাড়বে। সুতারাং শিশু ও বয়সীদের জ্বর হলে বাড়তি সর্তকতার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।








