খাগড়াছড়ির মধুপুর, দীঘিনালা ও রাঙামাটিতে হামলা, ঘরবাড়ি-দোকানপাট ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের প্রতিবাদে এবং হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও যথাযথ শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকাল সাড়ে ৫টায় বিক্ষুব্ধ ছাত্র জনতার ব্যানারে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেটে এই প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় শিক্ষার্থীদের হাতে ‘ঠিক কতবার স্বাধীন হলে পাহাড়ের শান্তি ফিরবে?’; ‘পাহাড়ের সেনা ব্যারাকে পাঠাও’; ‘পর্যটনের নামে ভূমি দখল বন্ধ কর’; ‘এক দেশে দুই নীতি মানিনা মানবো না’; ‘পাহাড়ে আগুন কেন? সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে না, সেনাশাসনের বিরুদ্ধে’; ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী নয় সম্পৃক্ত হতে চাই’ ইত্যাদি প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।
এসময়ে সমাবেশে অবস্থানরত বক্তারা বলেন, অনেকেই মনে করে যে আমরা বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হতে চাই, ব্যাপারটা সত্য নয়। আমরা বাংলাদেশের সাথে থেকেই স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে নিজেদের অধিকার নিয়ে বাঁচতে চাই। বিভিন্ন সময় পাহাড়ের বসবাসকারীদের সন্ত্রাসী হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে যেটা সত্যি নয়। বরঞ্চ আদিবাসীদের জমি নিয়ে সেখানে বাঙালীদের আবাসন করা হয়েছে। আমাদের অনেকেই এখনো ভারতের শরণার্থী হিসেবে বাস করে। আমরা কোনভাবে জুমল্যান্ড গঠনের পরিকল্পনা করছি না।
তারা আরও বলেন, ইতিপূর্বে আমরা বাঙালি সরকারের সাথে একটি শান্তি চুক্তি করেছিলাম যেটা পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি নামে পরিচিত। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় যে চুক্তি স্বাক্ষরের দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও আজ পর্যন্ত চুক্তির ধারাগুলো সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়িত হয়নি। আমরা পরিষ্কার করে বলে দিতে চাই, আমরা কখনোই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে ছিলাম না। উপরন্ত পাহাড়ে যে সেনা শাসনের নামে নির্যাতন চলে, আমরা তার বিরুদ্ধে ছিলাম। আমরা পাহাড় অস্থিতিশীলকারীদের বিচার চাই।







