যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ক্ষমতা থেকে সরানোর দাবি আবারও জোরালো হয়েছে। দেশটির কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকার আদায়ের সংগঠন এনএএসিপি এবং ডেমোক্র্যাট নেতারা তাকে অভিশংসন অথবা সংবিধানের ২৫তম সংশোধনীর আওতায় অপসারণের আহ্বান জানিয়েছেন।
সিএনএন জানিয়েছে, ডেমোক্র্যাট কংগ্রেস সদস্য আলেক্সান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্তেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে অভিযোগ করেন, ইরানের সঙ্গে সাময়িক যুদ্ধবিরতি পরিস্থিতির কোনো মৌলিক পরিবর্তন আনেনি। তার ভাষ্য, ট্রাম্প এখনও কঠোর ও হুমকিমূলক অবস্থান থেকে সরে আসেননি।
সাম্প্রতিক সময়ে ইরান ইস্যুকে ঘিরে ট্রাম্পের অবস্থান নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করে। যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। ইরান ইস্যুকে ঘিরে এক বার্তায় সতর্ক করে বলেছিলেন, ‘একটি ‘সভ্যতা’ পৃথিবী থেকে মুছে যেতে পারে।’
ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য অ্যাডভান্সমেন্ট অব কালারড পিপলের (এনএএসিপি) প্রেসিডেন্ট ডেরিক জনসন এক কড়া বিবৃতিতে বলেন, এই প্রেসিডেন্ট অযোগ্য, অসুস্থ এবং উন্মাদ। তার বক্তব্য ও আচরণ কেবল উদ্বেগজনক নয় বরং অত্যন্ত বিপজ্জনক।
শুধু পররাষ্ট্রনীতি নয়, অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন ইস্যুতেও ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমছে। ইরানকে ঘিরে সামরিক উত্তেজনা, অর্থনৈতিক চাপ, বিতর্কিত নীতি এবং কর্তৃত্ববাদী আচরণের অভিযোগ সব মিলিয়ে জনমনে অসন্তোষ বাড়ছে। এই অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ দেখা যায় সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ‘নো কিংস’ আন্দোলনে, যেখানে আয়োজকদের দাবি অনুযায়ী লাখো মানুষ অংশ নেয়। এটিকে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় গণবিক্ষোভ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এই প্রেক্ষাপটে আলেক্সান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্তেজ কংগ্রেস ও মন্ত্রিসভার প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশের স্বার্থে প্রেসিডেন্টকে ক্ষমতা থেকে সরানো প্রয়োজন। এর আগেও ডেমোক্র্যাটদের একটি অংশ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিশংসনের দাবি তুলেছিল, এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই দাবি আরও জোরদার হয়েছে।







