এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
বিসিবি নির্বাচন ঘিরে নানা নাটকীয়তা। মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন তামিম ইকবালসহ মোট ১৬ জন প্রার্থী। হাইকোর্টের রায়ে আটকে আছে ১৫টি ক্লাবের কাউন্সিলর শিপ। এই ধরণের পরিস্থিতে অসন্তোষ ক্যাটাগরি-৩ থেকে পরিচালক পদে নির্বাচন করা প্রার্থী দেবব্রত পাল। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় মনোনীত এই প্রার্থী বলেছেন, ‘অপ্রীতিকর পরিবেশ দেখা যাচ্ছে, যা কাম্য নয়।’
শুক্রবার বিকেলে মিরপুর শের-ই-বাংলায় বিসিবি অফিসে আসেন দেবব্রত। সেখানে জানান, তামিম ইকবালের মনোনয়ন প্রত্যাহারের বিষয়টি মানতে পারছেন না তিনি। বলেছেন, ‘তামিম ইকবালের অনুপস্থিতি ব্যক্তিগতভাবে আমাকে পীড়া দিয়েছে। এই ধরনের পরিস্থিতি কখনই কাম্য হতে পারে না।’
‘বিভিন্ন কাউন্সিলরের কাছ থেকে অপ্রীতিকর পরিবেশ লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা কখনোই কাম্য নয়। ক্যাটাগরি-৩ এ স্বনামধন্য সাবেক ক্রিকেট ব্যক্তিত্বরা রয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষা বোর্ডসহ বিভিন্ন সার্ভিসের গণ্যমান্য প্রাজ্ঞ ব্যক্তিরা আছেন। আমি চাই এখানে সুষ্ঠু-সুন্দর পরিবেশ থাকুক।’
সুষ্ঠ নির্বাচনী পরিবেশ প্রস্তুতের আহবান জানিয়েছেন দেবব্রত। বলেছেন, ‘কেউ কোনো প্রলোভন ছাড়া একটি নৈব্যর্ক্তিক এবং নিরপেক্ষ জায়গা থেকে যেন ভোট প্রদান করতে পারেন, তাদের মতামত প্রদান করতে পারেন। সেজন্য বিসিবির কাছে অনুরোধ থাকবে যেন একটি সুন্দর ও নিরপেক্ষ পরিবেশ তৈরি করে। দুই থেকে তিনজন কাউন্সিলর আমাকে কিছু অপ্রীতিকর বিষয় জানিয়েছেন। সে কারণে আমি মনে করি এখানে সুন্দর পরিবেশ তৈরি করা দরকার।’
বিসিবি নির্বাচনে ক্যাটাগরি-৩ থেকে প্রার্থীতা করছেন দেবব্রত। একটি পরিচালক পদের জন্য তার প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাসুদ পাইলট। নির্বাচনে জয়ী হওয়া নিয়ে আশাবাদী দেবব্রত। বলেছেন, ‘ক্যাটাগরি-১ থেকে অনেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন কিংবা ক্যাটাগরি-২ নিয়েও আমি কথা বলছি না। আমি আমার ক্যাটাগরি-৩ নিয়ে কথা বলছি। আমি গেল ছয়মাস ধরে কাজ করে যাচ্ছি। এই ক্যাটাগরিতে যত কাউন্সিলর রয়েছেন, সকলের সঙ্গে আমি সশরীরে ও ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ করেছি। আমি ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছি।’
বোর্ড পরিচালক হয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেটের উন্নয়নে আমি আলোর সহযাত্রী হতে চান দেবব্রত। বলেছেন, ‘আমি খেলোয়াড়ি জীবনের পরেও ক্রিকেটারদের সঙ্গে আছি। এই জায়গা থেকে নিজেকে নিয়ে বেশ আশাবাদী আমি। আমি কাউন্সিলরদের বলেছি, বাংলাদেশের ক্রিকেটের উন্নয়নে আমি আলোর সহযাত্রী হতে চাই। টেস্ট স্বীকৃতি পাওয়ার পরে বাংলাদেশের ক্রিকেট যে জায়গায় যাওয়ার কথা ছিল, টেস্ট খেলুড়ে বিভিন্ন দেশগুলোকে দেখলে, যে জায়গায় যাওয়ার কথা ছিল আমরা সেখানে পৌঁছাতে পারিনি।’
‘আমি যদি আফগানিস্তানকে বিবেচনা করি, দেখতে পাব তারাও কিন্তু অনেকদূর এগিয়ে গেছে। তাদের অনেক ধরনের রাজনৈতিক প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও। সেদিক থেকে আমাদের অনেক সামনে যাওয়ার সুযোগ ছিল। যেহেতু যেতে পারিনি, এ কারণেই আমি বলেছি, আমি আলোর সহযাত্রী হতে চাই’- যোগ করেন দেবব্রত।








