এফএ কাপের ফাইনালে ম্যানচেস্টার সিটিকে হারিয়ে নিজেদের ১১৯ বছরের ইতিহাসে প্রথম কোন বড় শিরোপা জেতে ক্রিস্টাল প্যালেস। এর মধ্যে দিয়ে উয়েফা ইউরোপা লিগে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল প্রিমিয়ার লিগের দলটি। তাদের সেই স্বপ্ন ভাঙ্গতে যাচ্ছে উয়েফার মালিকানা সংক্রান্ত নিয়ম ভাঙায়। দুই ক্লাবের মালিকানার ধরন খতিয়ে এই সিদ্ধান্তে আসে উয়েফা।
উয়েফার মাল্টি-ক্লাব মালিকানা সংক্রান্ত নিয়মে একই মালিকের অধীনে থাকা দুই বা তার অধিক ক্লাব একই ইউরোপিয়ান কোন প্রতিযোগিতায় খেলতে পারবে না। সে দিক থেকে ক্রিস্টাল প্যালেস ও লিগ ওয়ানের ক্লাব ওলিম্পিক লিঁওর আংশিক মালিকানায় আছেন জন টেক্সটর নামক এক ব্যক্তি। এদিকে ফরাসি ক্লাব লিঁও ইউরোপা লিগে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। তাতে ক্রিস্টাল প্যালেসের অনুমতি মিলবে না ইউরোপা লিগে খেলার।
লিগ ওয়ানের পয়েন্ট টেবিলে লিঁও যে অবস্থানে থেকে মৌসুম শেষ করে সেই তুলনায় নীচের দিকে ছিল ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব প্যালেস। তাই ইউরোপা লিগে খেলার টিকিট পেয়েছে ফরাসি ক্লাবটি। তাতে ইপিএল থেকে কপাল খুলতে যাচ্ছে নটিংহ্যাম ফরেস্টের। অন্যদিকে কনফারেন্স লিগে চলে যাবে প্যালেস। যা যোগ্যতা, অর্থ এবং গৌরবের দিক থেকে কনফারেন্স লিগের চেয়ে অনেকটা পিছিয়ে।
ক্রিস্টাল প্যালেসের দাবি ছিল যে তারা স্বাধীনভাবে পরিচালিত হয়, কিন্তু উয়েফা তাদের দাবি খারিজ করে। ক্রিস্টাল প্যালেস কোর্ট অব আরবিট্রেশন ফর স্পোর্টস বা ক্রীড়া বিষয়ক আন্তর্জাতিক আদালতে আপিল করবে। এর আগে অবশ্য ১ মার্চ পর্যন্ত মালিকানা পরিবর্তনের সুযোগ দিয়েছিল তাদের, কিন্তু সেই সুযোগও কাজে লাগাতে পারেনি তারা।








