দেশে আনুমানিক প্রায় ৩ কোটি ৮০ লাখ মানুষ কোনো না কোনোভাবে কিডনি রোগে ভুগছেন। যদিও তাদের মধ্যে সব রোগীর ডায়ালাইসিসের প্রয়োজন হয় না, তবে যারা ডায়ালাইসিস নেন আগামী অর্থবছরে বাজেটে তাদের জন্য সুখবর দেওয়া হয়েছে। ডায়ালাইসিসে ব্যবহৃত দুটি অত্যাবশ্যকীয় উপকরণের আমদানি শুল্ক কমানোর ফলে কিডনি ডায়ালাইসিসের খরচ কমতে যাচ্ছে।
আজ বৃহস্পতিবার বেলা ৩টায় জাতীয় সংসদে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন শুরু হয়।
বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেন, স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার প্রদান করে বিগত বছরগুলোর মতো এবারও কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ওষুধ, চিকিৎসা সামগ্রী ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী উৎপাদনে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল আমদানিতে বিদ্যমান রেয়াতি সুবিধা অব্যাহত রাখা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘কিডনি রোগীর ডায়ালাইসিসে ব্যবহৃত হয় দুটি অত্যাবশ্যকীয় উপকরণ হচ্ছে ডায়ালাইসিস ফিল্টার ও ডায়ালাইসিস সার্কিট। পণ্য দুটির আমদানিতে বিদ্যমান আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে হ্রাস করে ১ শতাংশ নির্ধারণ করার সুপারিশ করছি।’
এটি স্বাধীন বাংলাদেশের ৫৩তম বাজেট এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের টানা চতুর্থ মেয়াদের ও অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর প্রথম বাজেট।
৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত এই বাজেট বক্তব্যের শিরোনাম ‘সুখী, সমৃদ্ধ, উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে অঙ্গীকার’। আগামী ৩০ জুন বাজেট পাস হওয়ার কথা রয়েছে।








