এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর সুপারিশের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে এ বিষয়ে গঠিত কমিটি। প্রতিবেদনে চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর বিষয়ে সুপারিশ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) জনপ্রশাসন সূত্রে জানা যায়, বিষয়টির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে আলোচনা হবে। এরপর সিদ্ধান্ত হবে।
গণ-আন্দোলনে গত ৫ অগাস্ট আওয়ামী লীগের সরকার পতনের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়। এরপর থেকে নানা দাবিতে বিভিন্ন সংগঠনের কর্মসূচির মধ্যে বয়সসীমা নিয়ে আন্দোলনকারীরাও মাঠে নামেন।
একপর্যায়ে তারা প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের বাসভবনের সামনে জমায়েত হলে পুলিশ বাধা দেয়। পরে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়ে পরামর্শ নিতে কমিটি গঠন করে সরকার। কমিটির প্রধান করা হয় সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরীকে।
গত ২ অক্টোবর সচিবালয় কমিটির প্রধান সাংবাদিকদের বলেন, এই কমিটির প্রধানত একটাই ফোকাস- চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা নিয়ে অনেকদিন ধরে একটি আন্দোলন চলছে। এটার ভিত্তিতে সরকার আমাদের পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি করে দিয়েছে। আমাদের আগামী এক সপ্তাহের মধ্য প্রতিবেদন দেয়ার কথা বলা হয়েছে।
বর্তমানে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে সাধারণ প্রার্থীদের সর্বোচ্চ বয়স ৩০ এবং মুক্তিযোদ্ধা কোটার প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ৩২ বছর।







