বন্যা পরিস্থিতি বিবেচনা করে পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটি শেষে পরীক্ষা, হিসাব দপ্তরসহ শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
রোববার ২৩ জুন সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-রেজিস্ট্রার ইউনুস আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে গত ২০ জুন সিলেটের অতিবৃষ্টি ও বন্যা পরিস্থিতি বিবেচনায় তিন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
প্রথমত, শিক্ষার্থীরা তাদের ছাত্র প্রতিনিধিদের (সিআর) মাধ্যমে শিক্ষকদের সাথে পরামর্শ করে পরীক্ষার তারিখ পুনঃনির্ধারণ করতে পারবে। দ্বিতীয়ত, প্রতিটি বিভাগকে তাদের ক্লাস অনলাইনে চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। এবং সর্বশেষ বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কাজ চলমান থাকায় অফিস যথাসময় ২৩ জুন থেকে খোলা থাকবে।
বিশ্ববিদ্যালয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ কবির হোসেন বলেন, বন্যা পরিস্থিতি উন্নতির দিকে যাচ্ছে। ক্যাম্পাসের পানিও অনেকটা কমতির দিকে। আজ থেকে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য বিভাগগুলো সচেতন ও সতর্ক রয়েছে। আশা করি দ্রুতই সশরীরে আমাদের একাডেমিক কার্যক্রম চালু হবে।
উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, আমরা যেকোন প্রাকৃতিক দুর্যোগে শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার চেষ্টা করে থাকি। বন্যা একটা প্রাকৃতিক দুর্যোগ। আমাদের এর সাথে নিজেদের মানিয়ে নিতে হয়। এর আগেও কভিডের সময়ে আমরা শিক্ষার্থীদের দ্রুতসময়ের মধ্যে পরীক্ষা ও অনলাইন ক্লাস নিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে সেশনজট মুক্ত রেখেছি। আমরা চাই না কেউ এখানে সেশনজটে আটকে থাকুক।
সম্প্রতি সিলেটের বন্যা ও অতিবৃষ্টির কথা বিবেচনায় আমরা অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্তসহ ৩ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। আজ ২৩ জুন থেকে যথারীতি দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এছাড়া ক্লাস সমূহ দ্রুত সময়ে সশরীরে নেয়ার ব্যাপারে চেষ্টা করা হচ্ছে। আশা করি দ্রুতই আমরা সশরীরে ক্লাস পরীক্ষা নিতে পারব।







