জয়পুরহাটে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে আহত হয়েছে উভয় পক্ষের ১১ জন। আহতদের জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, জয়পুরহাট ১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেকুন নাহার শিখা তার লোকজন নিয়ে জয়পুরহাট শহরের শান্তিনগর এলাকায় আসলে সেখানে বিএনপি’র প্রার্থী মাসুদ রানা প্রধানের কর্মী সমর্থকদের সাথে সংঘর্ষ ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১১ জন কর্মী আহত হয়েছে। আহতদের জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আহত বিএনপি কর্মীদের অভিযোগ, স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেকুন নাহার শিখা গাড়িতে করে ফরিদপুর জেলা থেকে ভাড়াটে লোকজন এনে জয়পুরহাট সরকারি কলেজ ভোট কেন্দ্র এলাকায় টাকার বিনিময়ে ভোট কিনছিল। স্থানীয় জনগণ এর প্রতিবাদ করে এবং বিএনপি কর্মী সমর্থকদের খবর দেয়। এসময় বিএনপি কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে বাধা দিলে সংঘর্ষ বাধে।
অন্যদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেকুন নাহার শিখা অভিযোগ করেন, তারা জয়পুরহাট ডিগ্রী কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শনে যাওয়ার সময় বিএনপি নেতাকর্মীরা হঠাৎ তাদের উপর অতর্কিত হামলা করে এবং তার মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।
বিএনপি মনোনীত জয়পুরহাট- ১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মাসুদ রানা প্রধান বলেন, সরকারি কলেজ কেন্দ্র এলাকায় ওই নারী প্রার্থী অন্য জেলা থেকে বহিরাগতদের নিয়ে এসে ভোট কেনার চেষ্টা করছিলেন। এ সময় ধানের শীষের নেতাকর্মীদের সাথে সংঘর্ষ বাঁধে। ইতিমধ্যে আমি শুনেছি এতে আমাদের কয়েকজন আহত হয়েছে। তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে জয়পুরহাট থানার ওসি (তদন্ত) নাজমুল হক বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। স্বতন্ত্র প্রার্থী ও তার কর্মীদের সাথে ধানের শীষের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। উভয় পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।








