শিল্পী সমিতির নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথের দিন এফডিসিতে সাংবাদিক নির্যাতনের বিষয়টি এখন টক অব দ্য কান্ট্রি! দুদিন ধরেই এ নিয়ে আলোচনা সমালোচনা তুঙ্গে। এরইমধ্যে সাংবাদিকদের ওপর হামলার নেতৃত্ব দেয়ায় তরুণ চিত্রনায়ক জয় চৌধুরীকে আজীবন বয়কটের ডাক দিয়েছেন সাংবাদিকরা।
মঙ্গলবার এফডিসিতে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরী করা, হামলায় নেতৃত্ব দেয়া এবং ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের জন্য জয়কে বয়কটের সিদ্ধান্ত জানায় সাংবাদিকরা। বুধবার (২৪ এপ্রিল) রাতে এফডিসিতে সম্মিলিতভাবে সাংবাদিকরা গণমাধ্যমের কাছে এই সিদ্ধান্ত জানান।
সাংবাদিকদের ওপর হামলার পর বুধবার রাতে বৈঠকে বসেন সাংবাদিক প্রতিনিধি ও শিল্পী সমিতির প্রতিনিধিরা। ১১ সদস্যদের তদন্ত কমিটির উপদেষ্টা প্রযোজক আরশাদ আদনানের উপস্থিতিতে পরে তরুণ নায়ক জয় সবার পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ ও ক্ষমা চান। কিন্তু এই সময়ে ক্ষমা চাইতে এসেও সাংবাদিকদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়ান তিনি।
সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে তাৎক্ষণিক জয়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয় সাংবাদিকরা। নবনির্বাচিত শিল্পী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক জয় চৌধুরীকে এসময় আজীবনের জন্য বয়কটের ঘোষণা দেন সাংবাদিক। সেই সঙ্গে প্রতিবছর ২৩ এপ্রিলকে ‘কালো দিবস’ হিসেবেও ঘোষণা করা হয়।
গণমাধ্যমে এসব বিষয় সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরেন সাংবাদিক প্রতিনিধি লিমন আহমেদ। এদিন রাতে জয়কে বয়কটের ঘোষণা দিয়ে লিমন আহমেদ বলেন, ‘শিল্পী সমিতি যদি জয়কে কোনো কার্যক্রমে রাখে, আমরা শিল্পী সমিতিকেও বয়কট করব। জয় চৌধুরীকে নিয়ে কোনো পরিচালক-প্রযোজক সিনেমা বানান, সেটার প্রচার পাবেন না; এটা আমরা ঘোষণা দিলাম।’
পাশাপাশি চলচ্চিত্রের এতগুলো মানুষ থাকা সত্ত্বেও জয় চৌধুরীকে থামাতে পারলেন না, তার মানে তারা ব্যর্থ। এ কারণে প্রতিবছর ২৩ এপ্রিল চলচ্চিত্রের কালো দিবস পালন করা হবে। আমরা এটা প্রত্যেক বছর পালন করবই। এমনকি ওই দিন কোনো সিনেমার মুক্তির দিন থাকলেও আমরা প্রচার করব না। বলছিলেন সাংবাদিক লিমন আহমেদ।
এদিন রাতে সাংবাদিক ও শিল্পীদের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মঙ্গলবারে হামলার বিষয়ে বেশকিছু সিদ্ধান্ত হয়। সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় অভিনেতা শিবা শানু ও সুশান্তসহ অন্যরা এক মাসের জন্য বহিষ্কার থাকবেন বলেও জানানো হয়। সেই সঙ্গে হামলায় আহত সাংবাদিকদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার কথাও জানানো হয়।







