তীব্র শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। সকালে সূর্যের দেখা না মেলায় দুর্ভোগে পড়েছে খেটে খাওয়া মানুষ। এতে শীতের তীব্রতা আরও দ্বিগুণ অনুভূত হচ্ছে।
চুয়াডাঙ্গার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় চুয়াডাঙ্গায় ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে এবং এ সময় বাতাদের আর্দ্রতা ছিল ৮৮ শতাংশ।
গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় রেকর্ড করা হয়েছিল ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন একই তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল গোপালগঞ্জে।
এদিকে, চুয়াডাঙ্গায় শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সদর হাসপাতালে শিশু ও ডায়রিয়া ওয়ার্ডে রোগীর চাপ বেড়েই চলেছে। গত ১২ দিনে সদর হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ২৬০ জন শিশু ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছে। এর মধ্যে নিউমোনিয়া আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা ৪৯ এবং ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছে ৩২০ জন। এ ছাড়া প্রতিদিন বহির্বিভাগে ৫০০-৭০০ শিশু, বয়োবৃদ্ধ রোগীরা শীতজনিত কারণে চিকিৎসা নিয়েছে বলে জানা গেছে।
চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার বেলগাছি গ্রামের এক কৃষক বলেন, এখন ভুট্টার জমিতে সার দিতে হচ্ছে। এ ছাড়া শীতকালীন পাতাকপি, ফুলকপি, লাউসহ বিভিন্ন সবজি ভোর থেকে তুলে ব্যাপারীদের কাছে বিক্রি করতে হচ্ছে। ফজরের আজানের সময় বের হয়েছি। মনে হচ্ছে আস্ত ফ্রিজের মধ্যে রয়েছি।







