সিলেট টাইটানসের বিপক্ষে আসরের সর্বোচ্চ রানের সংগ্রহ গড়েছিল চট্টগ্রাম রয়ল্যাস। প্রায় ২০০ রানের লক্ষ্যে নেমে বন্দরনগরীর দলটির কাছে ১৪ রানে হার দেখেছে। দারুণ জয়ে ৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে ফিরেছে চট্টগ্রাম।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বুধবার দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে টসে হেরে আগে ব্যাটে নামে চট্টগ্রাম। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৯৮ রান করেছে চট্টগ্রাম। এবারের আসরে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড এটি। এর আগে সর্বোচ্চ ১৯২ রান করেছিল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। উদ্বোধনী দিনে সিলেট টাইটানসের ১৯০ রান তাড়া করেছিল তারা।জবাবে ১৯.৪ ওভারে ১৮৪ রানে থামে সিলেট।
জয়ে ৬ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে ফিরেছে চট্টগ্রাম। একম্যাচ কম খেলে সমান পয়েন্ট নিয়ে রানরেটে পিছিয়ে দুইয়ে রংপুর রাইডার্স। চট্টগ্রামের বিপক্ষে হার দেখলেও ৭ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে তিনে সিলেট। ৪ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে চারে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। ৫ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে পাঁচে ঢাকা ক্যাপিটালস। ৫ ম্যাচ খেলে এখনও হারের বৃত্ত থেকে বের হতে পারেনি নোয়াখালী।
রানতাড়ায় সিলেটের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৬ রান করেছেন আফিফ হোসেন। ৩৩ বলের ইনিংসটিতে ছিল ৪টি চার ও ২ ছক্কার মার। বাকিদের মধ্যে ১৯ বলে ২৩ রান করেন তাওফীক খান। ১০ বলে ২০ রান করেন ইথান ব্রুকস। ১৪ বলে ১৮ রান করেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। ১১ বলে ১৩ রান করেন মঈন আলি। মেহেদী হাসান মিরাজ করেন ১৪ বলে ১৭ রান। শেষ দিকে খালেদ আহমেদ খেলেন ৯ বলে ২৫ রানের ঝড়ো ইনিংস।
চট্টগ্রামের হয়ে আমের জামাল ৪ উইকেট নেন। শরিফুল ইসলাম ও তানভীর আহমেদ নেন ২টি করে উইকেট।
এর আগে চট্টগ্রামের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৯ রান করেছেন রসিংটন। ৬ চার ও এক ছক্কায় ৩৮ বলে ৪৯ রান করেন ইংলিশ ব্যাটার। ৩ চার ও ৪ ছক্কায় ২১ বলে ৪৪ রান করেন মাহমুদুল হাসান জয়। শেষ দিকে শেখ মেহেদী ৪ চার ও এক ছক্কায় ১৩ বলে ৩৩ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন।
এছাড়া হাসান নাওয়াজ ২০ বলে ২৫, নাঈম শেখ ১৫ বলে ১৮ এবং আসিফ আলির ব্যাট থেকে আসে ৮ বলে ১৩ রান।
সিলেটের হয়ে রুয়েল মিয়া নেন ৩ উইকেট। মঈন আলি ও আজমতউল্লাহ ওমরজাই শিকার করেন একটি করে উইকেট।







