পাকিস্তানের মাটিতে বাবর-শানদের টেস্টে হোয়াইটওয়াশ করে ইতিহাস গড়ে এসেছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। ঐতিহাসিক অর্জনে টাইগার অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে ফোন করে অভিবাদন জানিয়েছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এবার ক্রিকেটারদের সংবর্ধনা দিলেন তিনি। শান্ত-মুশফিকদের সাথে দেখা করতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেছিলেন, জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে যায় শান্তবাহিনী। সেখানে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজজয়ী দলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ, পরিচালক নাজমুল আবেদীন ফাহিম ও প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন উপস্থিত ছিলেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ক্রিকেটারদের অভিবাদন জানিয়ে পাকিস্তানে আনা সাফল্যকে ঐতিহাসিক বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা। জানিয়েছেন, পুরো জাতি তাদের অর্জনে গর্বিত।

জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, ‘জয়ের পর অধিনায়কের সাথে কথা বলেছিলাম। কিন্তু আমি ব্যক্তিগতভাবে সবার সাথে দেখা করতে এবং জাতির পক্ষ থেকে অভিবাদন জানাতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেছিলাম।’
এ সময় প্রধান উপদেষ্টা জাতিকে একত্রিত করতে খেলাধুলার গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন। প্যারিস অলিম্পিকে উপদেষ্টা এবং শুভেচ্ছাদূত হিসেবে অংশ নেয়ার কথা জানান। ইতালির মিলানে ২০২৬ শীতকালীন অলিম্পিকে তাকে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে অংশ নেয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, জানান সেটিও।

প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে ক্রিকেটারদের এমন সংবর্ধনা দেয়াতে ধন্যবাদ জানান অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। টাইগার অধিনায়কের মতে, এমন আয়োজন সাফল্য অর্জনে দলকে উৎসাহিত করবে। বলেছেন, ‘প্রত্যেক খেলোয়াড় এখানে আসতে পেরে খুশি, এটা সত্যিই আমাদের অনুপ্রাণিত করবে।’
এছাড়া খেলোয়াড় এবং কোচিং স্টাফদের কঠোর পরিশ্রম পাকিস্তানে তাদের সাফল্যের জন্য মুখ্য ছিল বলে জানান শান্ত।

রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে প্রথমটিতে ১০ উইকেটে জয় তুলেছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয়টিতে খাদের কিনারা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে ৬ উইকেটে জয় তুলেছিল টিম টাইগার্স।
১৫ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ দল ভারতে যাবে পরের মিশনে, দুই টেস্ট ও তিন টি-টুয়েন্টির সিরিজ খেলতে।








