এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে নিয়ম ভেঙে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদল প্যানেলের সহ-সভাপতি (ভিপি) পদপ্রার্থী আবিদুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে। তবে তার দাবি, তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করেছেন।
মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রে শিক্ষার্থীরা যে অংশে ভোট দিচ্ছেন, সেখানে ঢোকেন আবিদুল ইসলাম খান। এটি ছিল জগন্নাথ হলের শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত কেন্দ্র। এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রার্থীদের জন্য কোনো পরিচয়পত্র (কার্ড) করেনি। সে কারণে তাকে মেয়েদের হলের ভোটকেন্দ্রে প্রবেশে বাধা দেওয়া হচ্ছে।
পরে সকাল ১০টার কিছু আগে কার্জন হল কেন্দ্রের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আবিদুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, “ভোটটা উদযাপন করতে চাই, অভিযোগ করতে চাই না।” নিয়ম ভেঙে ভোটকেন্দ্রে ঢোকার অভিযোগের বিষয়ে তিনি দাবি করেন, “রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি নিয়েই ঢুকেছি।”
তবে শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা কাজী মোস্তাক গাউসুল হক সাংবাদিকদের বলেন, “প্রার্থীদের ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের কোনো সুযোগ নেই। আমি জহুরুল হকের কেন্দ্রে ছিলাম। বিষয়টি জানি না, খোঁজ নিচ্ছি।” পরবর্তীতে জগন্নাথ হল কেন্দ্রেও তিনি জানান, “আমি এখানে আসার পর কাউকে পাইনি। আর কেউ ঢুকতে পারবে না।”
দীর্ঘ সাড়ে ছয় বছর পর অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩৯ হাজার ৭৭৫ জন। বিশ্ববিদ্যালয়ের আটটি কেন্দ্রে ৮১০টি বুথে একযোগে ভোট গ্রহণ চলছে। ভোটারদের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে ৬ পৃষ্ঠার ওএমআর ব্যালট, যার ৫ পৃষ্ঠা কেন্দ্রীয় সংসদের এবং ১ পৃষ্ঠা হল সংসদের জন্য নির্ধারিত। প্রতিটি ভোটারকে দুটি আলাদা ব্যালট বক্সে ব্যালট পেপার জমা দিতে হচ্ছে।
কেন্দ্রীয় সংসদের ২৮টি পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪৭১ জন প্রার্থী, এর মধ্যে নারী প্রার্থী আছেন ৬২ জন। ভিপি পদে ৪৫ জন, জিএস পদে ১৯ জন, এজিএস পদে ২৫ জনসহ বিভিন্ন সম্পাদকীয় পদ ও সদস্য পদে আছেন আরও শতাধিক প্রার্থী। ১৮টি হল সংসদের ২৩৪টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১ হাজার ৩৫ জন প্রার্থী।








