নকআউট পর্বে খেলা আগেই নিশ্চিত করেছিল পিএসজি। গ্রুপপর্বের শেষ খেলায় জুভেন্টাসকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফুরফুরে মেজাজেই ছিল ক্রিস্তোফ গালতিয়েরের দল। তবে অপ্রত্যাশিতভাবে গ্রুপ রানার্সআপ হয়ে তাদের শেষ ষোলোতে খেলতে হবে।
একই সময়ে এইচ গ্রুপের আরেক খেলায় ম্যাকাবি হাইফাকে ৬-১ গোলে উড়িয়ে দেয় বেনফিকা। তাতেই হিসাবের মারপ্যাঁচে পিএসজি হয়েছে গ্রুপ রানার্সআপ।
৬ ম্যাচ শেষে বেনফিকা ও পিএসজির পয়েন্ট সমান ১৪। দল দুটি তাদের গ্রুপ পর্বের দুই খেলাতেই ১-১ গোলে ড্র করেছিল। হেড টু হেডের লড়াই ছিল সমানে সমান। দুই দলই বল জালে জড়িয়েছে ১৬ বার, হজম করেছে ৭টি। তবে অ্যাওয়ে গোল বেশি দেয়াতেই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বেনফিকা।
বুধবার বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাতে আলিয়াঞ্জ স্টেডিয়ামে হওয়া ম্যাচের ১৩ মিনিটে কাইলিয়ান এমবাপের গোলে লিড পায় ফ্রেঞ্চ জায়ান্টরা। ৩৯ মিনিটে লক্ষ্যভেদ করে খেলায় সমতা টানেন লিওনার্দো বনুচ্চি। বিরতির পর ৬৯ মিনিটে নুনো মেন্ডেস পিএসজির হয়ে জয়সূচক গোলটি করেন।
এফ গ্রুপের খেলায় সেল্টিককে ৫-১ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েই শেষ ষোলোতে খেলবে রিয়াল মাদ্রিদ।
৬ মিনিটে স্পটকিক থেকে লুকা মড্রিচ নিশানাভেদ করে রিয়ালের গোল উৎসব শুরু করেন। ২১ মিনিটে আবারো স্পটকিক থেকে গোল পায় কার্লো আনচেলত্তির দল। এবার নিশানাভেদ করেন রদ্রিগো।
এরপর ৫১ মিনিটে মার্কো আসেনসিও, ৬১ মিনিটে ভিনিসিয়াস জুনিয়র ও ৭১ মিনিটে ফেদেরিকো ভালভার্দে গোল পান। ৮৪ মিনিটে সেল্টিকের হয়ে সান্ত্বনাসূচক গোলটি করেন জোতা।
আরেক ম্যাচে শাখতার দোনেৎস্ককে ৪-০ গোলে হারিয়েছে এফ গ্রুপের রানার্সআপ হওয়া লেইপজিগ।
রিয়াল মাদ্রিদের ৬ ম্যাচে পয়েন্ট ১৩, লেইপজিগের ১২। শাখতার ৬ পয়েন্ট পেয়ে টেবিলের তিনে থেকে আসর শেষ করায় আগামী মৌসুমে তাদের ইউরোপা লিগে খেলতে হবে।
এদিকে, ই গ্রুপের ম্যাচে সলজবুর্গকে ৪-০ গোলে হারিয়ে নকআউট পর্বে খেলার সুযোগ পেয়েছে এসি মিলান। আরেক খেলায় ডায়নামো জাগরেবের বিপক্ষে ২-১ গোলে জিতে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন চেলসি।
৬ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট পেয়েছে চেলসি। ১২ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ রানার্সআপ এসি মিলান।
সেভিয়াকে ৩-১ গোলে হারিয়ে জি গ্রুপের পয়েন্ট টেবিলে দাপট ধরে রাখল ম্যানচেস্টার সিটি।
মিনিটে ৩১ রাফা মিরের গোলে সেভিয়া এগিয়ে গিয়েছিল। বিরতির পর সমতা টানেন ম্যানসিটি একাডেমি থেকে উঠে আসা ১৭ বর্ষী রিকো লুইস। সিটির জার্সিতে এটি তার প্রথম গোল। ৭৩ মিনিটে আলভারেস সিটিকে এগিয়ে নেয়ার দশ মিনিট পর ব্যবধান বাড়ান রিয়াদ মাহরেজ।
কোপেনহেগেনের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে গ্রুপ রানার্সআপ হয়ে নকআউট পর্বে উঠেছে বরুশিয়া ডর্টমুন্ড।
৬ ম্যাচে ম্যানসিটির পয়েন্ট ১৪, ডর্টমুন্ডের পয়েন্ট ১০। সেভিয়া ৫ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তিনে থাকায় আগামী মৌসুমে ইউরোপা লিগে খেলবে।








