এমিরেটস স্টেডিয়ামে প্রতিপক্ষ লেন্সকে নিয়ে রীতিমতো ছেলেখেলায় মাতে আর্সেনাল। ৬-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে জিতে গানাররা কেটেছে নকআউট পর্বের টিকিট। ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় কোনো ইংলিশ ক্লাবের এটিই সবচেয়ে বড় জয়ের রেকর্ড।
দলের এমন অভাবনীয় সাফল্যের পর যেন ঘোরের ভেতরে রয়েছেন মিকেল আর্তেতা। এমনটি তিনি কখনো স্বপ্নেও ভাবেননি বলে গণমাধ্যমকে জানান।
‘আমি এমনটা স্বপ্নেও ভাবিনি। আমাদের আজ নকআউটে খেলার যোগ্যতা অর্জন করার এবং গ্রুপের শীর্ষে থাকার সুযোগ ছিল। সত্যিই দারুণ উপায়ে এমনটা করেছি বলে আমি মনে করি। ম্যাচের শুরু থেকেই দলটা অনেক আগ্রাসী ভাব এবং দৃঢ় সংকল্প দেখিয়েছিল। প্রথম ৩০ মিনিটে সবকিছু সঠিকভাবে ঘটেছিল।’
১৩ মিনিটে বল জালে জড়ান কাই হাভার্টজ। ওয়েপর ২১, ২৩ ও ২৭ মিনিটে লক্ষ্যভেদ করেন যথাক্রমে গ্যাব্রিয়েল জেসুস, বুকায়ো সাকা এবং গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লি। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে গোল উৎসবে শামিল হন মার্টিন ওডেগার্ড। খেলার ৮৬ মিনিটে স্পট কিক থেকে বল জালে পাঠান জর্জিনহো। ছয়জন ফুটবলারের গোল পাওয়াটাকে দলীয় পারফরম্যান্সের ইতিবাচক দিক হিসেবেই দেখছেন আর্তেতা।
‘আমরা ঘরের মাঠে যে ধারাবাহিকতা দেখিয়েছি, তা সত্যিই ইতিবাচক বিষয়। কোনো গোল হজম করিনি এবং প্রচুর স্কোর করেছি। খেলোয়াড়দের সেই অভিজ্ঞতা থাকা জরুরি। সবার বিশ্বাস করা উচিৎ, আমরা প্রতিপক্ষের বিপক্ষে এমনটা করতে পারি।’
ম্যাচের প্রথম ২৭ মিনিটেই চার গোলে এগিয়ে যাওয়ায় আর্সেনালের জয় কার্যত তখনই নিশ্চিত হয়ে যায়। তবুও রেফারির শেষ বাঁশি বাজার আগ পর্যন্ত দলের খেলোয়াড়দের দায়িত্ব পালনে দেখে আর্সেনাল কোচ বেশ আনন্দিত।
‘দলটি জিততে চায়, কিছু মানতে চায় না এবং আমাদের আরও ভালো হওয়ার জন্য এটাই মানসিকতা। অনেক খেলোয়াড়ের স্কোরশিটে নাম ছিল।’
‘এখন অপেক্ষার করার পালা। আমরা ফেব্রুয়ারিতে জানতে পারব পরবর্তী রাউন্ডে কার মুখোমুখি হচ্ছি। তখন কেমন করতে পারি দেখা যাক।’








